রবিবার ১৭ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
সারাদেশ

হঠাৎ কেন অশান্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম, জানা গেল কারণ 

নবীন নিউজ ডেস্ক ২১ সেপ্টেম্বার ২০২৪ ০৯:৫২ এ.এম

সংগৃহীত ছবি সংগৃহীত ছবি

হঠাৎ করেই হামলা, সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতায় উত্তপ্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম। সংঘাতময় পরিস্থিতিতে শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়িতে তিনজন নিহত হয়েছেন। খাগড়াছড়ির সংঘর্ষের জেরে উত্তাল ছিল রাঙ্গামাটি। সেখানেও প্রাণ গেছে একজনের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দুই জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।

তবে সংঘর্ষের সূত্রপাত গত বুধবার খাগড়াছড়ি সদরে মোটরসাইকেল চুরিকে কেন্দ্রে করে গণপিটুনিতে মো. মামুন নামে এক বাঙালি যুবককে হত্যা করার জেরে। ওইদিন সেখানকার পাহাড়ি ও বাঙালির মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে হত্যার প্রতিবাদে দীঘিনালায় বাঙালিরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। বাঙালিদের অভিযোগ, মিছিলটি বোয়ালখালী বাজার অতিক্রম করার সময় পাহাড়িরা বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, সংঘর্ষের একপর্যায়ে দীঘিনালার লারমা স্কয়ারে বিভিন্ন দোকান ও বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবারের সংঘাত, অগ্নিসংযোগ ও গোলাগুলির ঘটনার পর থেকে পাহাড়ে বসবাসকারী পাহাড়ি-বাঙালি উভয় সম্প্রদায় আতঙ্কের মধ্যে পড়েছে। গত রাতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে। দুই জেলায় সেনা, পুলিশ ও বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।

খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলে শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। আজ শনিবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নেতৃত্বে সরকারের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল দুই জেলা পরিদর্শন করবে জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সব বাহিনীকে সর্বোচ্চ সংযম দেখাতে এবং পার্বত্য তিন জেলায় বসবাসকারী সব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত 
সংঘর্ষের সূত্রপাত গত বুধবার খাগড়াছড়ি সদরে মোটরসাইকেল চুরিকে কেন্দ্রে করে গণপিটুনিতে মো. মামুন নামে এক বাঙালি যুবককে হত্যা করার জের ধরে। ওই দিন সেখানকার পাহাড়ি ও বাঙালির মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে হত্যার প্রতিবাদে দীঘিনালায় বাঙালিরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। বাঙালিদের অভিযোগ, মিছিলটি বোয়ালখালী বাজার অতিক্রম করার সময় পাহাড়িরা বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, সংঘর্ষের একপর্যায়ে দীঘিনালার লারমা স্কয়ারে বিভিন্ন দোকান ও বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়।

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ বলেন, আগুনে দীঘিনালা বাসস্টেশন ও লারমা স্কয়ার এলাকায় ১০২টি দোকান আগুনে পুড়ে গেছে। এরমধ্যে পাহাড়িদের ৭৮টি ও বাঙালির সম্প্রদায়ের ২৪টি দোকান রয়েছে।

রাতে গোলাগুলি
দীঘিনালা উপজেলায় সংঘর্ষের জেরে খাগড়াছড়ি জেলা সদর, পানছড়ি ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার রাতে খাগড়াছড়ি জেলা সদরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনায় তিনজন নিহত হন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। নিহতরা হলেন- জুনান চাকমা (২০), ধনঞ্জয় চাকমা (৫০) ও রুবেল চাকমা (৩০)।

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রিপল বাপ্পি চাকমা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে আহত অবস্থায় ওই হাসপাতালে ১৬ জনকে আনা হয়। তারা বেশির ভাগই সদর উপজেলা থেকে এসেছেন। এরমধ্যে তিনজন মারা যান। বর্তমানে হাসপাতালে আরো পাঁচজন চিকিৎসাধীন।

স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে খাগড়াছড়ি শহরের নারানখাইয়া, স্বনির্ভর এলাকায় ব্যাপক গুলির শব্দ শোনা যায়। পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। গভীর রাত পর্যন্ত গুলির শব্দ পাওয়া যায়। গোলাগুলির শব্দসহ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৃহস্পতিবার রাতে ছড়িয়ে পড়ে।

শুক্রবার খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সহিদুজ্জামান বলেন, রাতে গোলাগুলি হয়েছে। এ পর্যন্ত তিনজনের লাশ পাওয়া গেছে। মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। আহত হয়েছেন ১০ থেকে ১২ জন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসন জানায়, রাজনৈতিক দলসহ সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শুক্রবার বেলা দুইটার দিকে খাগড়াছড়ি জেলা সদরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। শুক্রবার রাত ৯টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা বলবৎ থাকবে। জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় সেনা, পুলিশ ও বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে।

গতকাল আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনা সম্পর্কে বলা হয়, রাত সাড়ে ১০টায় সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি জোনের একটি টহল দল একজন মুমূর্ষু রোগীকে স্থানান্তরের সময় খাগড়াছড়ি শহরের স্বনির্ভর এলাকায় পৌঁছালে অবস্থানরত উত্তেজিত জনসাধারণ ইউপিডিএফের (মূল) নেতৃত্বে বাধা সৃষ্টি করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনীর টহল দলের ওপর গুলি করে। আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনী পাল্টা গুলি চালায়। ওই গোলাগুলির ঘটনায় তিনজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হন।

রাঙ্গামাটিতে সংঘর্ষ
আগের দিনের ঘটনার জেরে গতকাল খাগড়াছড়ির পাশাপাশি রাঙামাটিতেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খাগড়াছড়িতে তিন পাহাড়ির মৃত্যু এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল সকালে রাঙামাটি জেলা সদরে ‘সংঘাত ও বৈষম্যবিরোধী পাহাড়ি ছাত্র আন্দোলন’-এর ব্যানারে প্রতিবাদ মিছিল বের করেন পাহাড়িরা। মিছিলে ঢিল ছোড়াকে কেন্দ্র করে পাহাড়ি ও বাঙালিদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় আঞ্চলিক পরিষদ কার্যালয়সহ ৩০-৪০টি বাড়িঘর ও দোকানপাটে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এ সময় মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন ধরনের অন্তত ৩০টি যানবাহন পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

সংঘর্ষে একজন নিহত এবং আহত হয়েছেন দুই পক্ষের অন্তত ৫৫ জন। নিহত ব্যক্তির নাম অনিক কুমার চাকমা। তিনি কর্ণফুলী ডিগ্রি কলেজের স্নাতকের ছাত্র। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার মরদেহ রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালে ছিল। 

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা শওকত আকবর বলেন, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ৫৬ জনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। এরমধ্যে একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মাথায় আঘাত পাওয়ার কারণে তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহতদের মধ্যে তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। ১৯ জনকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকিদের বহির্বিভাগে চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাদের শরীরে জখম ও পাথরের আঘাতসহ নানা ক্ষত রয়েছে।

এ ঘটনায় বেলা ১ টার দিকে রাঙ্গামাটি পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে জেলা প্রশাসন। সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল জোরদার করা হয়।

রাঙ্গামাটি জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহ ইমরান বলেন, সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় প্রচুর গাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়। ১৪৪ ধারা জারির পর থেকে পরিস্থিতি আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হচ্ছে। আতঙ্ক রয়েছে কিছু কিছু এলাকায়। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বিজিবির টহল রয়েছে।

পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
রাঙ্গামাটিতে ঘটনার জন্য পাহাড়ি ও বাঙালি দুই পক্ষ পরস্পরকে দায়ী করে চলেছে। পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) চট্টগ্রাম নগরের সাধারণ সম্পাদক অমিত চাকমা বলেন, ‘সংঘাত ও বৈষম্যবিরোধী পাহাড়ি-ছাত্র আন্দোলনের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নীতিগতভাবে আমাদেরও সমর্থন ছিল। আমাদের অনেক সদস্যও অংশগ্রহণ করেছে। খাগড়াছড়িতে হত্যা ও সহিংসতার প্রতিবাদে আয়োজিত মিছিলটিতে জেলা পরিষদের সামনে এবং বনরূপা বাজারে অতর্কিত হামলা করে বাঙালিরা। মিছিলে ঢিল ছোড়ে। এরপর মিছিলকারীদের ওপর তারা চড়াও হয়। পাহাড়িদের দোকানপাট ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

ঘটনার জন্য পাহাড়িদের দায়ী করে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলার সাধারণ সম্পাদক মো. সোলায়মান বলেন, পাহাড়িদের মিছিল থেকে বনরূপা বাজারে ব্যবসায়ীদের ওপর হামলা করা হয়। তারা মসজিদে ঢিল ছোড়ে। তারপর মুসল্লি ও ব্যবসায়ীরা মিলে প্রতিরোধ করেন। একপর্যায়ে বাঙালিরা জড়ো হয়ে এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে থাকেন। তখন বিক্ষুব্ধ লোকজন তাদের ধাওয়া করে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী চলে আসে।

প্রতিবাদ, বিক্ষোভ
রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে সংঘাত-সহিংসতার প্রতিবাদে ঢাকা, চট্টগ্রাম, বান্দরবানসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরের চেরাগী পাহাড় মোড়ে গতকাল সকালে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন পাহাড়িরা। ‘বিক্ষুব্ধ জুম্ম ছাত্র জনতার’ ব্যানারে অনুষ্ঠিত কর্মসূচি থেকে তিন পার্বত্য জেলায় আজ শনিবার থেকে ‘সিএইচটি ব্লকেড’ নামে ৭২ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

এই কর্মসূচির প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন জানিয়েছে পার্বত্য এলাকার আঞ্চলিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। গতকাল এক বিবৃতিতে এই সমর্থনের কথা জানিয়ে দলটি খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে পাহাড়িদের ওপর হামলা, হত্যা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।

এদিকে গত রাতে এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসরত সব নাগরিককে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আইন কেউ নিজের হাতে তুলে নেবেন না। অপরাধীদের সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করা হবে।

সবশেষ পরিস্থিতি

খাগড়াছড়িতে সহিংসতার ঘটনার পর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে রাঙ্গামাটিতেও। সেখানেও জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের জিমনেশিয়াম চত্বর থেকে কয়েক হাজার পাহাড়ির একটি মিছিল বের হয়ে বনরূপায় গেলে সেখানে মিছিলে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়েছে- এমন অভিযোগ করে বেশকিছু দোকানপাট ভাঙচুর করে মিছিলকারীরা। তারা এ সময় রাস্তায় চলাচলকারী বাস-ট্রাক ভাঙচুর করে।

সূত্র জানিয়েছে, রাঙ্গামাটিতে সকালে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়। শহরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য পুলিশ সেনাবাহিনী বিজিবির সমন্বয়ে যৌথ টহল টিম শহরে কাজ শুরু করেছে।

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাদিয়া আক্তার জানিয়েছেন, এরই মধ্যে ৫০ জনের মতো আহত হাসপাতালে এসেছে। এরমধ্যে অন্তত ৭ জনের অবস্থা গুরুতর। 

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন খান জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দুপুর দেড়টা থেকে রাঙামাটি পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

নবীন নিউজ/পি

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস

news image

এবার যারা ভোটকেন্দ্রে যাবেন, তারা মরার প্রস্তুতি নিয়ে যাবেন : জেলা প্রশাসক

news image

টঙ্গীতে হঠাৎ খিঁচুনি উঠে অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক

news image

আপাতত কমছে না শীতের প্রকোপ

news image

ঋণের মামলা থেকে বাঁচতে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন সবুর

news image

হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন আশিক চৌধরী

news image

ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীরা ভারতে প্রবেশ করেছে: জুলকারনাইন সায়ের

news image

মিরপুর চিড়িয়াখানার খাঁচা থেকে বেরিয়ে গেছে সিংহ

news image

চকবাজারের আবাসিক ভবনে আগুন

news image

মধ্যরাতে ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

news image

বিছানায় ২ সন্তানের গলাকাটা মরদেহ, পাশেই রশিতে মায়ের ঝুলন্ত লাশ

news image

চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষার আন্দোলন করতে গিয়ে নিজেরাই বিভক্ত!

news image

মেট্রোরেলে গাঁজা পরিবহন, বাবা-মেয়ে আটক

news image

কুমিল্লায় জামায়াত নেতার গাড়িতে অগ্নিসংযোগ

news image

অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

news image

যুবলীগের নেতা নিখোঁজ, ছেলের মরদেহ নদীর থেকে উদ্ধার

news image

ফ্ল্যাটে স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ, পাশে গুরুতর আহত স্বামী

news image

বিএনপি কর্মীর মাথা ফাটালেন জামায়াত নেতারা

news image

ফতুল্লায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার ৩ সংবাদকর্মী

news image

বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে সোহেল তাজকে

news image

কর্মীর হাতে পিটুনি খেয়ে বিএনপি নেতার আত্মহত্যা

news image

ইবনে সিনা হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর

news image

আসন পুনর্বহালের দাবিতে নির্বাচন ভবন ঘেরাও

news image

বদলি হলেই নতুন বিয়ে! সরকারি কর্মকর্তার ১৭ স্ত্রীর অভিযোগে তোলপাড়

news image

দাওয়াত না দেওয়ায় মাদ্রাসার সব খাবার খেয়ে ও নষ্ট করে গেলেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা

news image

দালাল ও দুর্নীতিবাজদের অভয়ারণ্য দৌলতপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

news image

মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে স্কুলছাত্রীকে রেখে পালিয়ে যায় ঘাতক

news image

বিএনপির কাউন্সিলে ভোট গণনার সময় ব্যালট বাক্স ছিনতাই

news image

বিদেশে বসে আদালতে ‘সশরীরে’ হাজিরা দেন আসামি

news image

শ্বাসরোধে হত্যার পর উর্মীর মরদেহ খালে ফেলে দেন মা-বাবা