উৎসবের দিনে জমিয়ে ভূরিভোজ করলেও ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে! টোটকা জানলেই কেল্লাফতে!
মিষ্টি খেলেও বাড়বে না ওজন! কী ভাবে তা সম্ভব
উৎসবের মরসুম মানেই পরিবার, বন্ধুবান্ধব, আড্ডা আর সঙ্গে দারুণ ভূরিভোজ।। তাই লাগাতার জারি থাকবে আনন্দের মেজাজ। জারি থাকবে খাওয়াদাওয়াও। তবে উৎসবের মাঝেও একটু নিয়ম মেনে খাওয়াদাওয়া করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কীভাবে ? আসুন জেনে নেই ।
১) পর্যাপ্ত জল খাওয়া: দিনে কতখানি জল খাচ্ছেন উৎসবের দিনগুলিতে তার হিসাব রাখা কঠিন। তবে ওজন বাগে রাখতে চাইলে জল খাওয়ার ব্যাপারে কিন্তু বাড়তি নজর দিতেই হবে। দিনে অন্তত ১০ গ্লাস পানি খান। শরীরে পর্যাপ্ত মাত্রায় পানি থাকলে খিদে কম পায়। তাই ভাজাভুজি, মিষ্টি খেতে ইচ্ছে করে না।
২) উৎসব মানেই মিষ্টিমুখ। আর ওজন বাড়ার ভয়ে এই সময় মিষ্টি না খেলে মনটা বড়ই খারাপ লাগে। বিশেষ করে আপনার সামনে যখন আর পাঁচজন মিষ্টি খায় তখন নিজেকে আটকে রাখা সত্যিই মুশকিলের ব্যাপার। দোকানের মিষ্টিতে অত্যধিক মাত্রায় ঘি, চিনি মেশানো থাকে, যা খেলে ওজন বাড়তে বাধ্য। অথচ বাড়িতে মিষ্টি তৈরি করে নিলেই সমস্যা মিটে যায়। তখন চিনির পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন সুগার ফ্রি। মিষ্টিতে ঘিয়ের পরিমাণ কতখানি দেবেন তা-ও থাকবে আপনার নিয়ন্ত্রণে। প্রয়োজন শুধু ঘণ্টাখানেক সময়।
৩) উৎসবের দিনগুলিতে জিমে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শরীরচর্চা করার সময় হয় না। কিন্তু ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দিনে মিনিট ১৫ কার্ডিয়ো করলেই হবে। জোরে জোরে হাঁটাহাঁটি, জগিং, স্কিপিং, জাম্পিং জ্যাক বা স্পট জগ বেছে নিন পছন্দের মতো কার্ডিয়ো।
৪) অনেকেই রাতে শেষপাতে একটা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন৷ এটা একেবারেই ভুল৷ এ ভাবে মিষ্টি খাবেন না। এই সময় আমাদের বিপাকক্রিয়া খুব ধীর গতিতে হয়৷ তাই মিষ্টিতে থাকা চিনি খুব সহজে শরীরে মেদ হিসাবে জমে।
৫) উৎসবের মরসুমে নিমন্ত্রণ লেগেই থাকে। আর সেখানে গিয়েই একের পর এক লোভনীয় খাবার দেখে নিজেকে আটকে রাখা যায় না। চেষ্টা করুন কারও বাড়িতে যাওয়ার আগে এক বাটি স্যালাড বা স্যুপ খেয়ে যেতে। পেট ভরা থাকলে খুব বেশি ভুলভাল খাওয়ার ইচ্ছে করবে না।
একেক মানুষের শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া একেক রকম। কারো শরীরে মেটাবলিজম বেশি, কারো কম। যাদের বেশি তারা বেশি খেলেও ক্যালরি বেশি বার্ন হয়, ফ্যাট কম জমে। যাদের শরীরে মেটাবলিজম কম বা দূর্বল তাদের শরীরে, বিশেষ করে পেটে, হাটুর উপরে ও গলার নিচে ফ্যাট বেশি জমে কারন তাদের শরীরের বিপাক ক্রিয়া দূর্বল।
জিনগত কারনেও অনেকের শরীরের খাবারের বিপাক প্রক্রিয়া স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। যার ফলে শরীরে বাড়তি মেদ জমতে পারে না সহজে তবে যদি শুয়ে, বসে থাকে , কাজ কম করে তবে এদেরও মুটিয়ে যাওয়ার ভয় থাকে।
জিনগত ব্যাপারে মানুষের হাত নেই কিন্তু নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত কায়িক শ্রম করলে মুটিয়ে যাওয়ার আশংকা অনেক কমে যায়। শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া ভালো রাখতে হলে মেটাবলিজম বাড়াতে হবে।, বেশি করে পানি, লিকার চা (চিনি ছাড়া), দুধ, সবুজ শাক-সবজি, ফাইবারযুক্ত খাবার, বাদাম, ফল খেতে হবে।
মিষ্টি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে, মাংস খেলে সাদা মাংস / মুরগি খেতে হবে, মাছও রাখতে হবে। লাল মাংস / গরু, খাসী যতটা সম্ভব পরিহার করতে হবে। একেবারে সম্ভব না হলে কালে ভাদ্রে দুই তিন পিস লাল মাংস খাওয়া যাবে।
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস বজায় রাখলে ও কায়িক শ্রম করলে মুটিয়ে যাওয়ার আশংকা অনেক কমে যাবে।
সপ্তাহে ১৫০ মিনিটের যে অভ্যাস ডায়াবেটিস থেকে রক্ষা করবে
স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে অশোভন আচরণের দায়ে ডা. ধনদেবকে অব্যাহতি
কোভিডের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে বার্ড ফ্লু
সকালের কিছু ভুল অভ্যাসেই বাড়তে পারে হার্টের ঝুঁকি
মুখ ও গলায় এই ৫ লক্ষণ হলে সতর্ক থাকুন, হতে পারে কিডনি সমস্যা
শরীরের যে ১০ লক্ষণ ক্যানসারের ইঙ্গিত দেয়
‘অপারেশনের ভয়ে’ হাসপাতালের ১০ তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে রোগীর মৃত্যু
বিশ্বজুড়ে দ্বিগুণ হতে পারে লিভার ক্যান্সার
আজ থেকে কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন বিসিএস চিকিৎসকরা
তরমুজের বিচি খেলে কী হয় জানেন?
ইফতারে স্যালাইন খাচ্ছেন, জানেন কী হয়?
দেশে প্রথমবার জিকা ভাইরাসের ক্লাস্টার শনাক্ত, আক্রান্ত ৫ জন
দূষিত বায়ু বাড়াচ্ছে অটিজমের ঝুঁকি
ভোরে ঘুম থেকে উঠলে হতে পারে যেসব ক্ষতি
লিভারের ক্ষতি করে যে ৩ পানীয়
ব্রেস্ট ক্যানসার শনাক্ত করার সঠিক পদ্ধতি
সকালে কলা খাওয়ার উপকারিতা জানেন?
ফুসফুসের ক্যানসারের লক্ষণ ও সাধারণ চিকিৎসা
শিশু রোগীদের ক্যানসারের ওষুধ ফ্রিতে প্রদানের ঘোষণা ডব্লিউএইচও’র
ওষুধের দাম নির্ধারণ কোম্পানির হাতে, ঠুঁটো জগন্নাথ অধিদপ্তর
নস্টালজিয়া নামের এক রোগ যেভাবে এখন একটি আবেগের নাম
ত্বকের উজ্জলতা ধরে রাখতে প্রতিদিন কত গ্লাস পানি পান করা জরুরি?
যেসব লক্ষণে হতে পারে ব্রেস্ট ক্যান্সার
পচে যাচ্ছে দীপংকরের পা, খোঁজ নিচ্ছে না কেউ!
মানসিক রোগের শারীরিক লক্ষণ
শ্বেতী রোগ কেন হয়, এটি কি নিরাময়যোগ্য অসুখ?
প্রতিদিন চিয়া সিড খাওয়া কি ভালো?
শিশুর নাক ডাকা কোনও রোগের লক্ষণ নয়তো!
অনবরত হাঁচি থেকে মুক্তি পেতে
কথায় কথায় বুকজ্বালা