নবীন নিউজ ডেস্ক ১৫ সেপ্টেম্বার ২০২৪ ১১:৩৯ এ.এম
সংগৃহীত ছবি
সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটুজলে ডুবে যায় ঢাকার রাস্তাঘাট। নাগরিকদের স্বাভাবিক চলাচলে নামে স্থবিরতা। কোনো কোনো এলাকায় নৌকাও ব্যবহার করতে হয়। পরিবেশ ও নগরবিদরা বলছেন, এ অচলাবস্থা তৈরিতে প্লাস্টিক বর্জ্যও দায়ী। কিন্তু সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এটিকে রিসাইকেল করলে অনেক সমস্যার সুরাহা আসতে পারে।
জনজীবনের জন্য বড় ধরনের সংকট হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে প্লাস্টিক বর্জ্যকে, যা মানুষের খাদ্যব্যবস্থাকেও দূষিত করছে। আবার একই বর্জ্য সঠিকভাবে রিসাইক্লিং করে সে পণ্য রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করাও সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ক্ষেত্রে সরকারকে আগ্রহী হতে হবে; প্রণোদনা দিয়ে ব্যবসায়ীদের উৎসাহ দিতে হবে।
ইন্সটাগ্রামে বিটসগোটস নামের একটি আইডির রিলসে দেখা যায়, রিসাইকেল প্লাস্টিক বোতল দিয়ে বিশ্বের সেরা সড়কগুলোর কয়েকটি নির্মাণ করা হয়েছে সিঙ্গাপুরে। দেশটিকে বলা হয়, ‘কান্ট্রি অব দ্য ফিউচার’, যেখানে কার্যত কোনো বর্জ্য নেই।
সিঙ্গাপুরে প্লাস্টিকের বোতলকে সড়ক নির্মাণের উপকরণেও পরিণত করা হয়। রোজ সেখানে দুই হাজার ট্রাকে করে সব বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়। পরে তা বাংকারে ফেলে দেয়া হয়। এ দ্বীপদেশটিতে চারটি বর্জ্য ভস্মীকরণ চুল্লি রয়েছে। সেখানে বর্জ্য পুড়িয়ে বসতবাড়ির জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এমনকি বর্জ্য ভস্মীভূত করে যে ছাই উৎপাদন হয়, তা সিমেন্টের সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশবান্ধব ইট তৈরি করা হয়।
বিশ্বজুড়ে খাবার, ওষুধ, প্রসাধনী ও প্রযুক্তি পণ্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্লাস্টিকের ব্যবহার হচ্ছে। এতে দূষিত হচ্ছে সমুদ্র ও প্রকৃতি। বাংলাদেশও তার বাইরে না। পাশাপাশি আন্তঃনদীর পানিতে ভেসেও প্লাস্টিক বর্জ্য আসছে বাংলাদেশে।
প্লাস্টিকের উৎপাদন কমাতে অনীহা
গেল কয়েক দশক ধরেই প্লাস্টিক উৎপাদন কমিয়ে আনতে সরকারের অনীহা দেখা গেছে। কখনো কখনো প্লাস্টিক উৎপাদনকারীদের সঙ্গে আপসও করা হয়েছে। যে কারণে দেশ এখন প্লাস্টিক পণ্যে ছেয়ে গেছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবান ও রিজিওনাল প্ল্যানিং বিভাগের অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিকটা খুবই ক্ষতিকর। এর বাইরে অন্য প্লাস্টিকও আছে। সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক ব্যবহারের কলাকৌশল দাঁড় করানো যায়নি। এটি ব্যবহারে সবাই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। এটির ব্যবহার কমাতে হবে। সরকার ২০২৫ সালের মধ্যে সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে চায়। উপকূলীয় জেলাগুলোতে এটির ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সরকার নতুন কিছু ভালো উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক উৎপাদনের ক্ষেত্রে খুব বেশি কঠোরতা দেখানো যায়নি।
যখন পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, তারপর এতগুলো বছর পরেও কীভাবে বাজারে পাতলা পলিথিন আসে, প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন,
মূল কারণ হচ্ছে আমরা উৎপাদন কমাতে পারিনি। যে কারণে এটির ব্যবহার অবাধ। উৎপাদন যেখান থেকে হচ্ছে, সেখান থেকে বন্ধ করতে হবে। আর আমরা যারা ব্যবহারকারী, তাদের কাছেও যাতে এটা সহজলভ্য না হয়। আবার পুনর্ব্যবহারের পর যখন এটি ফেলে দিই, তখন সেই প্লাস্টিক সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারের আলাদা একটি কলাকৌশল থাকতে হবে। বাইরের দেশগুলোতে প্লাস্টিক সংগ্রহের ক্ষেত্রে আলাদা কন্টেইনার থাকে, যেখানে প্লাস্টিক বর্জ্য একসঙ্গে থাকে।
আদিল মুহাম্মদ বলেন, প্লাস্টিক যাতে ব্যবহার করতে না পারি, সেটা নিশ্চিত করতে এটিকে দামি করে ফেলতে হবে। আবার রিসাইক্লিংয়ের প্ল্যান্টও থাকতে হবে। প্লাস্টিক ছাড়া দুনিয়া চলছে। কাজেই প্লাস্টিক কমিয়ে ফেললে দুনিয়া বন্ধ থাকবে না। কিন্তু এ জন্য সরকারি পর্যায়ে আগ্রহ থাকতে হবে।
পয়ঃনিষ্কাশনে ক্ষতিকর প্রভাব
প্লাস্টিক বর্জ্য আটকে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা আটকে যাচ্ছে। এতে বৃষ্টিতে পানি জমে জনজীবনে অস্থিরতা তৈরি হয়। কিন্তু সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই বর্জ্য রিসাইকেল করলে পরিবেশবান্ধব অনেক কিছুই করা সম্ভব হয়।
আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, এই প্লাস্টিক আমাদের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায়ও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। আমাদের প্রচুর নদী, খাল ও নর্দমা ক্লগড (আটকে) হয়ে যাচ্ছে। শহর ও গ্রাম পর্যায়ে এটা কমিয়ে আনতে হবে। ঢাকা শহরের পানি জমে যাওয়ার জন্যও এটা দায়ী। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে হবে। আগের সরকারের সময় দেখেছি, যারা প্লাস্টিকের ব্যবসার করেছেন, সরকার তাদের সঙ্গে বারবার আপস করেছে। যে কারণে তারা প্লাস্টিকের উৎপাদন বন্ধ করেনি। আমরা মনে করি, এ ক্ষেত্রে ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন,বাংলাদেশে কোথাও আমি দেখেছি, সরকারি প্রকল্পের অংশ হিসেবে প্লাস্টিক দিয়ে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। অনেক জায়গায় পরীক্ষামূলক এটা হলেও ব্যাপক আকারে এখন পর্যন্ত কোথাও দেখা যায়নি। কাজেই প্লাস্টিকের পুনর্ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমরা উদ্ভাবনকে কাজে লাগাতে পারি।
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের প্রধান নির্বাহী এম জাকির হোসেন খান বলেন, প্লাস্টিকে রিসাইকেল শব্দটি দ্বিতীয় পর্যায়ে। প্রথমে রিফিউজ বা প্রত্যাখ্যান। আমরা যদি প্লাস্টিককে প্রত্যাখ্যান করতে না পারি, তাহলে এটা সাপ্লাই চেইনে থেকে যাবে, কখনোই বন্ধ করা যাবে না। কাজেই আগে প্রত্যাখ্যান করতে হবে। এরপর যে অংশটি থাকবে, সেটাই রিসাইক্লিংয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা তো বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনের বাইরে যেতে পারবো না। কাজেই ব্যক্তিগত জীবনে সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক বন্ধ করব না-করব না, সেই চয়েজ আমাদের সামনে চলে এসেছে। আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে, সবার আগে সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করে দেব।’
আন্তঃনদী প্লাস্টিক দূষণের কী হবে?
বাংলাদেশে শতভাগ ব্যবহার বন্ধ হলেও উজানের পানিতে ভারত থেকে ভেসে আসা প্লাস্টিক বর্জ্যের ক্ষেত্রেও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জাকির হোসেন খান বলেন, ভারত থেকে নদীর পানিতে ভেসে যে প্লাস্টিক আসছে, সেটা তো আমরা বন্ধ করতে পারবো না। অর্থাৎ প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করার পরে যে অংশটি আমাদের সাপ্লাই চেইনে ঢুকে যাচ্ছে, সেটা রিসাইক্লিংয়ে যাবে। প্লাস্টিকের যে আন্তর্জাতিক কনভেনশন হচ্ছে, এবার একটি চুক্তিতে যাব, সেখানে আমরা কী অঙ্গীকার করছি? সেটা সবাইকে অনুসরণ করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘প্লাস্টিক একটি স্বাভাবিক পণ্য। এখন এটি বন্ধ করতে হলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে করতে হবে। বাংলাদেশে যদি শতভাগ রিসাইক্লিংয়ে যায়, আর ভারত যদি ১০ শতাংশ যায়, তাহলে কোনো অর্থবহন করবে না? গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র দিয়ে যে প্লাস্টিক ঢোকে, আমরা ভাটিতে আছি, এখন উজানে যারা আছেন, তারা যদি প্লাস্টিক বর্জন না করেন, তাহলে শতভাগ রিসাইক্লিং করেও লাভ হবে না।’
কারণ বঙ্গোপসাগরে যে প্লাস্টিক ঢুকছে, তাতে বাংলাদেশের ভূমিকা সামান্যই বলে মনে করেন জাকির হোসেন খান।
প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করতে হবে উৎপাদককেই
পরিবেশ অধিদফতরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান বলেন, যেসব কোম্পানি প্লাস্টিক বোতলে কোমল পানীয় কিংবা পানি বিক্রি করছে, তাদের সেসব বোতল সংগ্রহ করতে হবে। আগেও এরকম একটা কথা শোনা গেছে। কিন্তু সেটা কতটুকু বাস্তবায়িত হয়েছে, তা জানা যায়নি।
তিনি বলেন, ‘এটা করলে বড় একটি পণ্য নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। কারণ প্লাস্টিক বোতল আমরা বেশিরভাগ সময়ই ফেলে দিই। এছাড়া বড় কোম্পানিগুলো যারা প্লাস্টিক পণ্য বিক্রি করছে, তাদেরও উচিত হবে নিজেদের সেই প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা।’
সরকারি অফিসে প্লাস্টিক বোতলে পানি দেয়া বন্ধ করতে হবে বলেও জানান এই পরিবেশবিদ।
তিনি বলেন, আমাদের আগে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে হবে, আর সেটা করতে হবে সরকারি জায়গা থেকে। এরপর রিইউজে (পুনর্ব্যবহার) মনোযোগ দিতে হবে। সংগ্রহের ক্ষেত্রে বহুজাতিক কোম্পানিকে একটি কলাকৌশল বেছে নিতে হবে যে তাদের বর্জ্য তারাই সংগ্রহ করবে। আগেও সেই প্রস্তাব ছিল, যেটা বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
তিনি বলেন, পাশাপাশি বাসাবাড়িতেও যেসব প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়, সেগুলোও নিজ নিজ কোম্পানিকে সংগ্রহের ব্যবস্থা নিতে হবে। সংগ্রহের ক্ষেত্রে উৎপাদনকারী ও যিনি সরবরাহ করেন, তাদের একটা দায় আছে। কাজেই এসব বর্জ্য সংগ্রহে তাদের কলাকৌশল ঠিক করতে হবে। তাদের দায়বদ্ধতা নিতে হবে। প্লাস্টিক পণ্য আমরা ব্যবহার করি, কিন্তু পরিবেশের জন্য এটা কতটা ক্ষতিকর তা আমরা অনেকেই জানি না। যে কারণে জনগণকেও সচেতন করতে হবে।
বাংলাদেশে প্লাস্টিক বর্জ্য সামান্যই রিসাইকেল করা হয় বলে জানান প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান। তিনি বলেন, যদিও রিসাইকেল পণ্য রফতানিও করা হচ্ছে। কিন্তু এখানে সংগ্রহ পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ। সংগ্রহ ঠিকমতো করতে পারলে পরে সেটা রিসাইকেল করা যাবে। এছাড়া যারা রিসাইকেল করে তাদের সহায়তা ও প্রণোদনা দিয়ে উৎসাহ দিতে হবে। বাংলাদেশে রিসাইকেল কারখানা খুবই বড় না। কাজেই তারা যাতে সহজে রফতানি করতে পারে, সেই সহায়তাও দিতে হবে সরকারকে।
প্লাস্টিকের রিসাইক্লিং বাংলাদেশে
স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদারের বলেন, ‘আমরা সবাই মনে করছি যে প্লাস্টিক বন্ধ করে দিলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। পৃথিবীর ইতিহাস সেটা বলছে না, কোথাও সেভাবে প্লাস্টিক বন্ধ করছে না। বাংলাদেশে ২০০২ সালে প্রথমবারের মতো প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করেছে।’
প্লাস্টিক পণ্যকে একটি ব্যবস্থাপনার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে বলে দাবি করেন এই অধ্যাপক। তিনি বলেন, তারপরে প্লাস্টিক রিসাইক্লিং বা কাজে লাগাতে হবে। কিন্তু আমরা এক্ষেত্রে সফলতা পাইনি কিংবা বিষয়টিকে জনপ্রিয় করতে পারিনি।
ছোট আকারে যে রিসাইক্লিং কারখানা আছে, সেগুলোর ওপরও সরকারের তত্ত্বাবধান কম কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা ফরমাল সেক্টরে *আনুষ্ঠানিক খাত* এখনো রিসাইক্লিংটা করতে পারিনি। প্রতিদিন ঢাকা শহরে সাড়ে সাত হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপাদিত হয়। তার মধ্যে দশ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্য। এই বর্জ্যের আশি শতাংশকে আমরা কোনো ব্যবস্থাপনার মধ্যে আনতে পারিনি। এক্ষেত্রে রিসাইক্লিংয়ের জন্য সরকারিভাবে প্রণোদনা দিতে হবে। ফরমাল সেক্টরে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বাড়াতে হবে। যাতে বাড়ি থেকে একেবারে আঁস্তাকুড় পর্যন্ত একটা চক্র তৈরি হয়। আমার বাসায় যে পলিথিন ব্যাগ বা প্লাস্টিক বোতল ব্যবহার করে ফেলে দিলাম, সেটা যাতে তিন থেকে চারদিনের মধ্যে রিসাইকেল প্ল্যান্টে পৌঁছাতে পারে, এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে।’
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, গেল পাঁচ দশকে বিশ্বজুড়ে প্লাস্টিকের ব্যবহার ব্যাপকহারে বেড়েছে। প্রতি বছর ৮০ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য সাগরে গিয়ে মিশছে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও দ্রুত নগরায়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও প্লাস্টিকের ব্যবহার বাড়ছে বলে দেখা যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাটির কান্ট্রি এনভায়রনমেন্টাল অ্যানালাইসিস জানিয়েছে, ঢাকায় বাস করা প্রতিটি মানুষ বছরে সাড়ে ২২ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি করেন। আর এসব বর্জ্যের বড় অংশই গিয়ে নদী কিংবা জলাধারে গিয়ে পড়ে। প্লাস্টিক দূষণে কেবল বাতাস, পানি ও মাটিই দূষিত হয় না, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক হুমকি তৈরি করে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় প্লাস্টিক বর্জ্য আটকে ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব ঘটছে। আমাদের ফুডচেইনও দূষিত হচ্ছে খুদে-প্লাস্টিকে। এতে অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে ও উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে প্লাস্টিকমুক্ত হওয়ার দিকে বেশি নজর দিতে হবে।
এক নিবন্ধে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আব্দুলায়ে সেক বলেন,বাংলাদেশে প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার কারখানা গড়ে ওঠেছে ছোট আকারে ও অনানুষ্ঠানিকভাবে। এগুলোর আইনি স্বীকৃতি যেমন নেই, তেমনই সরকারি তত্ত্বাবধানও কম।
২০১৮ সালে বাংলাদেশে তিন হাজারের বেশি প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার কারখানা থাকলেও মাত্র ২০০টি নিবন্ধিত ছিল। ঢাকায় ৩৭ শতাংশ প্লাস্টিক রিসাইকেল হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।
এ খাতে পাঁচ হাজার ৪০০ শ্রমিক কাজ করছেন। কিন্তু তারাও ব্যাপক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্য কাজ করেন। পাশাপাশি সেকেলে প্রযুক্তির কারণে রিসাইকেল পণ্যের মানও খুব একটা ভালো হয় না।-সময় নিউজ
নবীন নিউজ/পি
ভোট দিতে পারছেন না জিএম কাদের ও আখতারুজ্জামান
আপনারা কেন্দ্রে গিয়ে নির্ভয়ে ভোট দিন: সেনাপ্রধান
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৫ জন
ইভ্যালির রাসেল-শামীমা গ্রেফতার
সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা-সমাবেশ ও প্রচারণা নিষিদ্ধ
মোসাব্বির হত্যার ঘটনায় প্রধান শুটারসহ গ্রেফতার ৩ জন
ওসমান হাদীর মেডিকেল বোর্ডের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি
গুলিবিদ্ধ হাদির সঙ্গে থাকা রাফি জানালেন পুরো ঘটনার বিবরণ
মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যায় সেই গৃহকর্মী ঝালকাঠি থেকে গ্রেপ্তার
জামায়াতের ঔষধ হলো আওয়ামী লীগ, বললেন মির্জা আব্বাস
ঘোষণা ছাড়াই সয়াবিনের দাম লিটারে বাড়ল ৯ টাকা, খোলা তেল ৫ টাকা
‘জাতীয় নির্বাচন-গণভোট ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হবে’
শেখ হাসিনার ৫-রেহানার ৭ বছরের জেল, ২ বছরের কারাদণ্ড পেলেন টিউলিপ
সচিবালয়ে আগুন
খুলনা আদালত চত্বরে গুলিতে ২ জন নিহত
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো দেশ
১ লাখের স্কুটারে জরিমানা ২১ লাখ!
ভোরের আলো ফুটতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে কড়াইল বস্তির আগুনের ক্ষতচিহ্ন
দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন খালেদা জিয়া
ফের ভূমিকম্প
শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবন কি এখানেই শেষ?
শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে ভারতকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার মামলার পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী
রায় শুনে যা বললেন শেখ হাসিনা
হাজারীবাগ বেড়িবাঁধে বাসে আগুন
ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
আ.লীগের মামলা তুলে নেয়ার বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেইনি
নারীরা ঘরে সময় দিলে, সম্মানিত করবে সরকার: জামায়াত আমির
রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ১ জন
ভোরে রাজধানীতে দুই বাসে আগুন