নবীন নিউজ ডেস্ক ১৩ জুলাই ২০২৪ ০২:৫৭ পি.এম
সংগৃহীত ছবি
সুখ-দুঃখ মিলিয়েই মানুষের জীবন। আল্লাহ তায়ালা মানুষকে দুঃখের পরেই সুখ দেন। আবার কখনো সুখ-স্বাচ্ছন্দে জীবনযাপনের পর দুঃখের মাধ্যমে পরীক্ষা করেন।
তাই সুখ-দুঃখ-সর্বাবস্থায় মুমিন-মুসলমানের উচিত আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা, নিরাশ না হওয়া।
আল্লাহ তায়ালা যখন বান্দাকে সুখ-দুঃখ দিয়ে পরীক্ষা করেন তখন ঈমানদার ও সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে ঈমানের স্তরভেদে আল্লাহর ওপর ভরসা, কৃতজ্ঞার মাঝে পার্থক্য দেখা দেয়। অর্থাৎ, মুমিন ও সাধারণ মুসলমানের ভরসার মাঝে পার্থক্য রয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা মানুষের এই স্বভাব ও ঈমানের স্তরের ভিত্তিতে তার পাথ্যর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন।
সাধারণ মানুষ সুখের পর কোনো দুঃখ, কষ্টে পতিত হলে সম্পূর্ণরূপে নিরাশ ও অকৃতজ্ঞ হয়ে পড়ে এবং মহান আল্লাহর প্রতি বদ ধারণা পোষণ করতে শুরু করে। তার আচার-আচরণে এমন ভাব ফুটে উঠে, এতে মনে হয় যেন ইতোপূর্বে সে কখনো কোনো আরাম বা সুখ ভোগ করেনি। অথবা এই দুঃখ-কষ্টের পর আবারো যে তার জীবনে কখনো সুখের দিন ফিরে আসতে পারে তা সে কখনো আশাও করতে পারে না।
এর বিপরীতে দুঃখ-কষ্টের পর যদি তার জীবনে সুখ শান্তি ফিরে আসে তখন সে বলতে শুরু করে যে, দুঃসময় তার ওপর থেকে সরে গেছে। এ কথা বলে সে খুশিতে আত্মহারা হয়ে যায় এবং অন্যদের ওপর গর্ব করতে থাকে। এরপর আবার যে, তার ওপর দুঃখ-বিপদ নেমে আসতে পারে এ সম্পর্কে সে বেখেয়াল ও নিশ্চিন্ত হয়ে পড়ে।
তবে যারা মুমিন তারা এই বদ অভ্যাস থেকে মুক্ত। তারা দুঃখ-দুর্দশায় ধৈর্য ধারণ করে এবং সুখ ও আরামের সময় মহান আল্লাহ তায়ালার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ও তাঁর অনুগত হয়ে থাকে। আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে এর বিনিময়ে ক্ষমা ও বড় পুরস্কার দেন।
এক হাদিসে রাসূল সা. বলেছেন, যার হাতে আমার প্রাণ সেই সত্ত্বার কসম। মুমিনের ওপর এমন কোনো কষ্ট, বিপদ, দুঃখ ও চিন্তা পতিত হয় না, যার কারণে আল্লাহ তায়ালা তার গুনাহ মাফ না করেন, এমন কি একটা কাঁটা ফুটলেও। -বুখারি, হাদিস : ৫৬৪১, ৫৬৪২, মুসলিম, হাদিস : ২৫৭৩।
আরেক বর্ণনায় রয়েছে, রাসূল সা. বলেছেন, মুমিনের জন্য আল্লাহর প্রত্যেকটা ফয়সালা কল্যাণকর হয়ে থাকে। সে সুখ-শান্তির সময় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে ফলে তা তার জন্য কল্যাণকর হয় এবং দুঃখ-কষ্টের সময় ধৈর্য ধারণ করে ফলে তখনও সে কল্যাণ লাভ করে থাকে। (মুসলিম, হাদিস : ২৯৯৯)
পবিত্র কোরআনে মুমিন ও সাধারণ মুসলমানের স্বভাবের এই পার্থক্য নিয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন—
আর যদি আমি মানুষকে আমার পক্ষ থেকে রহমত আস্বাদন করাই ও পরে তার কাছ থেকে তা ছিনিয়ে নেই তবে তো নিশ্চয় সে হয়ে পড়ে হতাশ ও অকৃতজ্ঞ।
আর তাকে বিপদ-আপদ স্পর্শ করার পর আমি যদি তাকে নেয়ামাতের স্বাদ গ্রহণ করাই তখন সে বলতে শুরু করে, আমার সব দুঃখ কষ্ট দূর হয়ে গেল। সে গর্ব করতে থাকে, আত্মপ্রশংসা করতে থাকে।
কিন্তু যারা ধৈর্য ধারণ করে ও ভাল কাজ করে এমন লোকদের জন্য রয়েছে ক্ষমা এবং বিরাট প্রতিদান। -সূরা হুদ, আয়াত : ৯-১১
নবীন নিউজ/পি
মহানবী এর রওজা জিয়ারতের নতুন নিয়ম ও সময়সূচি ঘোষণা
চাকরি হচ্ছে না? এই ২ আমলে দ্রুত মিলবে সমাধান
মসজিদের পাশে কবর দিলে কি কবরের আজাব কম হয়?
বাংলাদেশ থেকে এবার কতজন হজে যেতে পারবেন, জানাল মন্ত্রণালয়
বিশ্বের প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে যে ইতিহাস গড়ল মালদ্বীপ
স্বামীর ভালোবাসা ফিরিয়ে আনার কোরআনি আমল
অভাব-অনটন থেকে মুক্তি মিলবে যে দোয়ায়
আল-আজহার মসজিদের ১ হাজার ৮৫ বছর উপলক্ষে ইফতারে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
একটি পাখির কারণে আফ্রিকার প্রথম মসজিদের স্থান নির্বাচন করা হয়েছিল!
ধর্ষণকারীকে যে শাস্তি দিতে বলেছে ইসলাম
রোজা রেখে আতর-পারফিউম ব্যবহার করা যাবে?
ধর্ষণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে যা বললেন আজহারী
রোজার মাস মানেই কি ভালো খাবার খাওয়া?
রমজানে রোগীদের জন্য কিছু মাসয়ালা
অজু-গোসলের সময় গলায় পানি গেলে রোজা ভেঙে যাবে?
মসজিদে হারাম ও নববিতে আজ জুমার নামাজ পড়াবেন যারা
ইফতারে ঝটপট সবজি কাটলেট তৈরি করবেন যেভাবে
আলট্রাসনোগ্রাম করলে রোজা ভেঙে যাবে?
ইফতারের পর ধূমপান করলে যেসব বিপদ ঘটে শরীরে
যেসব কারণে রোজার ক্ষতি হয় না
জাকাতের টাকায় ইফতার সামগ্রী দেওয়া যাবে?
ইফতারের আগে করা যায় যেসব আমল
রোজা আদায় না করলে যে শাস্তি
মানুষের সেবা করার সেরা মাস রমজান
‘আমিই জীবন দেই, আমিই মৃত্যু দেই, আর আমার কাছেই সবাইকে ফিরে আসতে হবে’
রমজানে যে ৭ আমল বেশি করতে হবে
রমজান মাসে ফজিলতপূর্ণ যে ৩ আমল করবেন
ইফতারে আরবদের পাতে শোভা পায় যেসব ঐতিহ্যবাহী খাবার
রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত
রমজানে ওমরা করলে আসলেই কি হজের সওয়াব পাওয়া যায়?