বুধবার ০৪ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
সারাদেশ

কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজে ধীরগতি, অর্থের অপচয় বলছেন বিশেষজ্ঞরা

নবীন নিউজ, ডেস্ক ১৫ জানু ২০২৫ ১১:৩৩ এ.এম

সংগৃহীত ছবি

পনেরো বছরেও শেষ হচ্ছে না পর্যটন নগরী কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ। উল্টো বিভিন্ন উন্নয়নে প্রকল্পের ব্যয় ছাড়িয়েছে দুই হাজার কোটি টাকা, তেমনি মেয়াদ বেড়েছে ছয় দফা। আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে দ্রুত কাজ শেষ করতে চায় সিভিল এভিয়েশন। অবশ্য চলমান প্রকল্পকে অর্থের অপচয় হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু বিমানবন্দর নয়, বরং পর্যটক আকর্ষণে চিত্তবিনোদনের সুযোগ বাড়ানোর পরামর্শ খাত সংশ্লিষ্টদের।

সাগরের জলরাশি ছুঁয়ে ওঠানামা করবে প্রতিটি উড়োজাহাজ। যাত্রী বা পর্যটকদের মনজুড়ে থাকবে প্রশান্তির এক অনুভূতি। যার আকর্ষণে বাড়বে দেশি-বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা।

 প্রকৃতির এই উচ্ছ্বসিত হাতছানিতে নির্ভর করেই ২০০৯ থেকে ২০১৩ মেয়াদে উন্নয়নের কাজ শুরু হয় কক্সবাজার বিমানবন্দরের। এরপর ২০১৫ সালে যোগ হয় আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার নতুন ধাপ। গত ১৫ বছরে প্রকল্পের মেয়াদ ৬ দফা বেড়ে ২০২৪ সালেও হয়নি শেষ। এতে প্রকল্প ব্যয় ৩০২ কোটি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১৫ কোটি টাকায়।
 
 বিগত সরকারের সময় নানা টালবাহানায় কাজ শেষ না হলেও বিমানবন্দরটির উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) বর্তমান চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূইয়া। তিনি বলেন, যেসব জমিজমা রয়েছে সেগুলো নিয়ে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী আগানো হচ্ছে। কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর করলে ট্যুরিজম ও ইকো-ট্যুরিজম অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।
 
ইতোমধ্যে বিমানবন্দরের রানওয়ে ২ হাজার ২২৫ ফুট বাড়িয়ে সম্প্রসারণ করা হয়েছে ৯ হাজার ফুটে। যা দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরের রানওয়েগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ। আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে রানওয়ে আরো সম্প্রসারিত করে করা হচ্ছে ১০ হাজার ৭০০ ফুট। তবে প্রশ্ন হলো- সমুদ্র ছাড়া আর কী দেখতে আসবে পর্যটকরা?
 
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক মো. কামরুল ইসলাম বলেন, গত কয়েকবছরে কক্সবাজারে অনেক হোটেলে-কটেজ হয়েছে। তবে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সেভাবে হয়নি।
 
আটাবের সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে বিমানবন্দরটিতে সম্প্রসারিত করার পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা, সেবার মান বাড়ানোসহ অনেক বিষয়েই গুরুত্ব দিতে হবে।

 এদিকে, চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের দূরত্ব ১৪০ কিলোমিটার। সেক্ষেত্রে স্বল্প দূরত্বে আরেকটি আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর কতটা লাভজনক হবে, তা নিয়ে সন্দিহান বিশেষজ্ঞরা।
 
এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, গুরুত্ব ও জনসংখ্যা বিবেচনায় চট্টগ্রামের তুলনায় পিছিয়ে আছে কক্সবাজার। তাই স্বল্প দূরত্বে আরেকটি আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর তৈরি করলে খুব একটা লাভবান হওয়া যাবে না।
 
ভৌগোলিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় কক্সবাজার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। এজন্য সাগর পাড়ের এ বিমানবন্দরকে পর্যটক ছাড়াও যে কোনো ফ্লাইটের রি-ফুয়েলিংয়ের জন্য টেকনিক্যাল ল্যান্ডিংয়ের লক্ষ্যে আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার।

নবীন নিউজ/জেড

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস

news image

এবার যারা ভোটকেন্দ্রে যাবেন, তারা মরার প্রস্তুতি নিয়ে যাবেন : জেলা প্রশাসক

news image

টঙ্গীতে হঠাৎ খিঁচুনি উঠে অসুস্থ অর্ধশতাধিক শ্রমিক

news image

আপাতত কমছে না শীতের প্রকোপ

news image

ঋণের মামলা থেকে বাঁচতে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন সবুর

news image

হাদির ছবি আঁকা হেলমেট পরে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন আশিক চৌধরী

news image

ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীরা ভারতে প্রবেশ করেছে: জুলকারনাইন সায়ের

news image

মিরপুর চিড়িয়াখানার খাঁচা থেকে বেরিয়ে গেছে সিংহ

news image

চকবাজারের আবাসিক ভবনে আগুন

news image

মধ্যরাতে ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

news image

বিছানায় ২ সন্তানের গলাকাটা মরদেহ, পাশেই রশিতে মায়ের ঝুলন্ত লাশ

news image

চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষার আন্দোলন করতে গিয়ে নিজেরাই বিভক্ত!

news image

মেট্রোরেলে গাঁজা পরিবহন, বাবা-মেয়ে আটক

news image

কুমিল্লায় জামায়াত নেতার গাড়িতে অগ্নিসংযোগ

news image

অভিনেত্রী মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

news image

যুবলীগের নেতা নিখোঁজ, ছেলের মরদেহ নদীর থেকে উদ্ধার

news image

ফ্ল্যাটে স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ, পাশে গুরুতর আহত স্বামী

news image

বিএনপি কর্মীর মাথা ফাটালেন জামায়াত নেতারা

news image

ফতুল্লায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার ৩ সংবাদকর্মী

news image

বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে সোহেল তাজকে

news image

কর্মীর হাতে পিটুনি খেয়ে বিএনপি নেতার আত্মহত্যা

news image

ইবনে সিনা হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর

news image

আসন পুনর্বহালের দাবিতে নির্বাচন ভবন ঘেরাও

news image

বদলি হলেই নতুন বিয়ে! সরকারি কর্মকর্তার ১৭ স্ত্রীর অভিযোগে তোলপাড়

news image

দাওয়াত না দেওয়ায় মাদ্রাসার সব খাবার খেয়ে ও নষ্ট করে গেলেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা

news image

দালাল ও দুর্নীতিবাজদের অভয়ারণ্য দৌলতপুর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

news image

মৃত্যু নিশ্চিত ভেবে স্কুলছাত্রীকে রেখে পালিয়ে যায় ঘাতক

news image

বিএনপির কাউন্সিলে ভোট গণনার সময় ব্যালট বাক্স ছিনতাই

news image

বিদেশে বসে আদালতে ‘সশরীরে’ হাজিরা দেন আসামি

news image

শ্বাসরোধে হত্যার পর উর্মীর মরদেহ খালে ফেলে দেন মা-বাবা