শনিবার ০৬ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
আন্তর্জাতিক

জোট সরকারের যুগে ভারত, তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী মোদি

নবীন নিউজ, ডেস্ক ১৫ ডিসেম্বার ২০২৪ ০৩:১১ পি.এম

সংগৃহীত ছবি

চলতি বছরের সবচেয়ে আলোচিত দুটি নির্বাচনের একটি ভারতের লোকসভা নির্বাচন। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের এই দেশটির ১৮তম সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলে প্রায় দেড় মাসব্যাপী (৪৪ দিন)।

এই নির্বাচনের মাধ্যমে ভারতের লোকসভার মোট ৫৪৩ জন সংসদীয় প্রতিনিধিদের নির্বাচন করা হয়েছে। সাত ধাপে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয় ৪ জুন। আর এবারের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হলেও জোট সরকার গঠন করতে হয়েছে নরেন্দ্র মোদিকে।

 
দেড় মাসব্যাপী ভোট
 
ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সাত দফায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয় ১৯ এপ্রিল। এদিন ১০২টি লোকসভা আসনে ভোটগ্রহণ হয়। যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের আলিপুর দুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি রয়েছে। প্রথম দফার ভোটে প্রার্থীর সংখ্যাও ছাড়িয়েছে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি।
 
এরপর ২৬ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ৮৮ আসনের ভোটগ্রহণ হয়। ভোট হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র মণিপুর রাজ্যসহ ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে।
 
দ্বিতীয় দফার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের মধ্যে বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীও ছিলেন। তারা হলেন: রাহুল গান্ধী, শশী থারুর ও হেমা মালিনী।
 
তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ হয় ৭ মে। এদিন দেশটির ১০টি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৯৩টি আসনে হয় ভোট হয়। দেশটির নির্বাচন কমিশন জানায়, এদিন ৯৩টি আসনে ভোট হয়েছে; প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এক হাজার ৩শ জনেরও বেশি প্রার্থী।
 
১৩ মে অনুষ্ঠিত হয় ভারতের লোকসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফার ভোট। তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর ও মধ্যপ্রদেশসহ ১০ রাজ্যের ৯৬ আসনের ভোট হয় সেদিন।
 
এরপর ২০ মে ভারতের ৫ম দফার লোকসভা নির্বাচনে দেশটির ৬টি অঙ্গরাজ্যসহ জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জুড়ে মোট ৪৯টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়। আর ষষ্ঠ দফায় ৭টি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৫৮ আসনে ভোটগ্রহণ হয় ২৫ মে। 
 
ষষ্ঠ ধাপে রাজধানী দিল্লির ৭ আসনের সবগুলোতেই ভোট নেয়া হয়। এছাড়া উত্তরপ্রদেশের ১৪টি, হরিয়ানার ১০টি, পশ্চিমবঙ্গের ৮টি, বিহারের ৮টি, ঝাড়খণ্ডের ৪টি, ওড়িশার ৬টি এবং জম্মু-কাশ্মীরের ১টি আসনে ভোট প্রদান করেন ভোটারা।
 
১ জুন সপ্তম দফার ভোট গ্রহণের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক এ দেশের দেড় মাসব্যাপী ভোটগ্রহণ উৎসব। এদিন ৮ রাজ্যের ৫৭টি আসনে প্রায় ১১ কোটি ভোটার ৯০৪ প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করেন। এরইমধ্য দিয়ে লোকসভার ৫৪৩ আসনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়।
 
নির্বাচনে ভোটার ও রাজনৈতিক দলের সংখ্যা
 
এবারের লোকসভা নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল প্রায় ৯৭ কোটি। ভারতের নির্বাচন কমিশনের হিসাব বলছে, এবার নথিভুক্ত ভোটারের সংখ্যা ৯৬ কোটি ৮৮ লাখ। এর মধ্যে নারী ভোটার রয়েছেন ৪৭ কোটি ১০ লাখ এবং পুরুষ ভোটার ৪৯ কোটি ৭০ লাখ।
 
৪৮ হাজার ট্রান্সজেন্ডার ভোটার ছাড়াও এবার শতবর্ষী ভোটারের সংখ্যা দুই লাখেরও বেশি। একইসঙ্গে ৮৫ বছরের বেশি ভোট দাতার সংখ্যাও প্রায় ৮২ লাখ। 
 
এছাড়াও ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণ ভোটারের সংখ্যা ২১ কোটি। আর ১০ লাখ ৫ হাজার ভোটকেন্দ্রে ৫৫ লাখ ইভিএমের মাধ্যমে ভাগ্য নির্ধারণ করেন ভারতের জনগণ।
 
ভারতজুড়ে এবার ২ হাজার ৬৬৬টি নথিভুক্ত রাজনৈতিক দল লোকসভা ভোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। এর মধ্যে বিজেপি, কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি, ন্যশানাল পিপলস পার্টি, বহুজন সমাজবাদি পার্টির মতো জাতীয় রাজনৈতিক দল যেমন ছিল; তেমনই ছিল মমতার তৃণমূল, লালু প্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দলের মতোর শক্তিশালী প্রদেশিক দলও।

নির্বাচনের ফলাফল
 
ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ৫৪৩টি আসনের সবগুলোর চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয় ৪ জুন। দেশটির  নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, ২৪০ আসনে জয় পায় ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। আর ৯৯টি আসনে জয় পায় প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। 
 
অন্য দলগুলোর মধ্যে সমাজবাদী পার্টি ৩৭টি, তৃণমূল কংগ্রেস ২৯টি, ডিএমকে ২২টি, তেলেগু দেশম পার্টি ১৬টি, জনতা দল ১২টি, শিবসেনা নয়টি, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি আটটি ও শিবসেনা সাতটি আসনে জয় লাভ করে।
 
পাঁচটি আসন পায় লোক জনশক্তি পার্টি। চারটি করে আসনে জয় লাভ করে কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া- সিপিআই, ওয়াইএসআরসিপি ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল। আর  আম আদমি পার্টি, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ তিনটি করে আসন পায়।
 
কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া, কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া–সিপিআই, জনতা দল-জেডি, জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর ন্যাশনাল কনফারেন্স, রাষ্ট্রীয় লোক দল, জনসেনা পার্টি  ও ভিসিকে দুটি করে আসনে জয় পায়
 
এছাড়া একটি করে আসনে জয় পায় ইউনাইটেড পিপলস পার্টি, লিবারেল–ইউপিপিএল, অসম গণ পরিষদ–এজিপি, হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা–এইচএএমএস, কেরালা কংগ্রেস–কেইসি, রেভল্যুশনারি সোশ্যালিস্ট পার্টি–আরএসপি, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি–এনসিপি, ভয়েস অব দ্য পিপল পার্টি–ভিওটিপিপি, জোরাম পিপলস মুভমেন্ট–জেপিএম, শিরোমনি আকালি দল–এসএডি, রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক পার্টি–আরএলটিপি, ভারত আদিবাসী পার্টি–বিএইচআরটিএডিভিএসআইপি, সিকিম ক্রান্তিকারি মোর্চা–এসকেএম, মারুমালার্চি দ্রাবিড় মুনেত্র কাজাগম–এমডিএমকে, আজাদ সমাজ পার্টি–এএসপিকেআর, আপনা দল –এডিএএল, অল ঝাড়খন্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন–এজেএসইউপি এবং অল ইন্ডিয়া মজলিস–ই–ইত্তেহাদুল মুসলিমিন–এআইএমআইএম।
 
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হন সাতজন। ঘোষিত ফল অনুযায়ী বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স–এনডিএ জোটের মোট আসনসংখ্যা দাঁড়ায় ২৯৩টি। অপর দিকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টাল ইনক্লুসিভ অ্যালায়েন্স–ইন্ডিয়া জোটের মোট আসনসংখ্যা হয় ২৩৩টি।
 
জোট সরকারের যুগে ভারত

এবারের লোকসভা নির্বাচনে কোনও দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। বিরোধী জোটের পুনরুত্থানে 
সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে মোদির বিজেপিও। তবে সবচেয়ে বেশি আসন (২৪০টি) নিয়ে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে দলটি।
 
ফলে এবার সরকার গড়তে সমমনা একাধিক দল নিয়ে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স তথা এনডিএ জোটের শরিকদের ওপর নির্ভর করতে হয়েছে বিজেপিকে। সেই জোটের নেতা হিসেবে ৯ জুন তৃতীয়বারের মতো দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিজেপির নরেন্দ্র মোদি।
 
মোদি জোটের যে দুটি শরিকের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল সে দুটি হলো আঞ্চলিক দল। এর একটি জনতা দল ইউনাইটেড (জেডিইউ) এবং অপরটি তেলেগু দেশম পার্টি (টিডিপি)।
 
দল দুটির সম্মিলিতভাবে লোকসভায় ২৮টি আসন রয়েছে। এ দুটি দলের নেতারা হলেন নীতীশ কুমার ও এন চন্দ্রবাবু নাইডু। তারা উভয়েই প্রবীণ ও চৌকস এবং বিজেপির সঙ্গে তাদের আগেও বনিবনা হয়নি। যার ফলে অনেকে বিশ্বাস করেন যে, মোদির পক্ষে জোট সরকারকে ভালোভাবে এগিয়ে নেয়ার সম্ভাবনা কম।
 

উল্লেখ্য, ১৯৮৯ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ছয়টি লোকসভা নির্বাচনে কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে প্রতিবারই জোট সরকার গঠন করতে হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি জোটে বিশেষ বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। যেমন ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৯ সালের মধ্যে অন্তত আটটি সরকার গঠিত হয়। 
 
কিন্তু এর বেশিরভাগই দ্রুত ভেঙে যায়। কিন্তু ভারতের কিছু উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সংস্কার এবং সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির হার কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) উভয়ের নেতৃত্বে গঠিত জোট সরকারের আমলেই এসেছে।
 
২০১৪ সালে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সাবেক ইউনাইটেড প্রোগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স তথা ইউপিএ জোটকে উৎখাত করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। এরপর ২০১৯ সালে আগের চেয়ে আসন বাড়িয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গড়ে দলটি। অর্থাৎ, গত এক দশকে আর জোট সরকার পায়নি ভারত।  ১০ বছর পর ২০২৪-এ এসে আবারও জোট সরকার পেল দেশটি।
 
মোদির জোট সরকারের যত চ্যালেঞ্জ
 
নরেন্দ্র মোদি ১০ বছর আগে হিন্দু জাতীয়তাবাদ ও অভিজাত-বিরোধিতায় ভর করে ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসেন। সেসময় তিনি ভারতীয়দের ভালো চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। 
 
কিন্তু তার সরকার ভারতের অর্থনীতির লাগাম ধরতে ব্যর্থ হন, যেটি মানুষের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দেয়। এ সমস্যার সমাধান করাই তার নতুন জোট সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
 
কোভিড মহামারির সময়টা বাদ দিলে দেখা যায় ভারতের জিডিপি গত এক দশকে ধীরে ধীরে বেড়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত দেশটির জিডিপি ৮ শতাংশ প্রসারিত হয়েছে। এ হার অন্য যেকোনো বড় অর্থনীতির তুলনায় বেশি। তবুও সাধারণ ভারতীয়দের দৈনন্দিন জীবনের কোনো উন্নতি হয়নি। 
 
কারণ এই প্রবৃদ্ধির পরও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান ঘটেনি কিংবা উচ্চ মজুরিও পায়নি। দরিদ্র জনগণের একটা বড় অংশ ব্যয় হয় তাদের খাবারে। 
 
২০২২ সালের জুলাই থেকে পরবর্তী এক বছরের মধ্যে ১০ শতাংশ মূল্যস্ফীতি ঘটেছে এবং গত বছর মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ শতাংশ। ২০১৮ সাল থেকে খাদ্য মূল্যস্ফীতি গড়ে ৬ শতাংশের বেশি। তার মানে, মানুষের আয়ের বড় একটা অংশ এখানে ব্যয় করতে হয়েছে।
 
ভারতের ৫৭ কোটি শ্রমশক্তি বা অর্ধেকের বেশি সংখ্যক কাজের উপযুক্ত; ৮০ শতাংশ এখনও অর্থনীতির অনানুষ্ঠানিক খাতে কাজ করে। এর মধ্যে কৃষি অন্যতম। তবে গত এক দশকে এটি ‍খুব বেশি পরিবর্তিত হয়নি। অনানুষ্ঠানিক কাজের জন্য চুক্তি করতে হয় না; কাজের সময় কিংবা সুযোগেরও কোনো নিশ্চয়তা নেই।
 
গত ১৪ জুন প্রকাশিত ভারতের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় ‘আনকরপোরেটেড সেক্টর এন্টারপ্রাইজেস’-এ দেখা গেছে (অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতির একটি বড় অংশজুড়ে আছে অকৃষি খাত), যদিও এ ধরনের প্রতিষ্ঠান আনুমানিক ৮ শতাংশ বেড়েছে; ২০২২ ও ২৩-এর মধ্যে সেটা ৬ থেকে সাড়ে ৬ কোটির ওপর। 
 
কিন্তু প্রতিটি প্রতিষ্ঠান মাত্র দুটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করেছে। তাদের বার্ষিক মজুরি ১ লাখ ২৫ হাজার রুপি বা ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। অনানুষ্ঠানিক গ্রামীণ কর্মীদের মধ্যে দরিদ্র গোষ্ঠীর বার্ষিক আয় আরও কম; ৯০ হাজার রুপি। ভারতীয় শ্রমিক ৪০ শতাংশেরও বেশি কৃষি খাতে নিয়োজিত। সেখানে খামারে তাদের মজুরি এখনও করোনার আগের অবস্থায় ফিরে আসেনি।
 
এ অবস্থা নরেন্দ্র মোদির জন্য চ্যালেঞ্জিং। কৃষি খামারের উদ্যোগ অনেককে নিঃস্ব হওয়া থেকে বাঁচিয়েছে বটে, তবুও তাদের জীবন চালানো কঠিন। দিল্লিভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাংক সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব ডেভেলপিং সোসাইটিজ (সিএসডিএস) নির্বাচনের পর একটি সমীক্ষা চালায়, যেখানে ভোটারদের তিনটি বিষয়ে বেশি অভিযোগ ছিল। 
 
উত্তরদাতাদের মধ্যে ২৪ শতাংশ মূল্যস্ফীতির কথা বলেছে। ২৩ শতাংশ ক্রমবর্ধমান বেকারত্বের বিষয়টি তুলে ধরেছে এবং দারিদ্র্য যে বাড়ছে, তার কথা বলেছে ১১ শতাংশ মানুষ। এমনকি বিজেপি সমর্থক অনেকেই সরকারের অনেক কাজে অসন্তুষ্ট।

নবীন নিউজ/জেড

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

আফগানিস্তানে বর্ণ ও দাসপ্রথাকে আইনি স্বীকৃতি, আলেমরা অপরাধ করলে দায়মুক্তি

news image

না ফেরার দেশে সৌদির সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি, রেখে গেলেন ১৩৪ বংশধর

news image

জাতিসংঘের ও আন্তর্জাতিক ৬৬ সংস্থা থেকে বেরিয়ে যাবার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

news image

২য় বিয়ে করলে ৭ বছর কারাদণ্ড

news image

ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে কতটা প্রভাব ফেলবে ‘হাসিনা ইস্যু’

news image

পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে ব্যাপক গোলাগুলি, নিহত ২৩ জন

news image

২৬ জন বাংলাদেশীকে নিয়ে লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, ৪ জনের মৃত্যু

news image

বিবিসির কাছে থেকে ৫০০ কোটি ডলার চাইতে পারেন ট্রাম্প

news image

শাটডাউনে যুক্তরাষ্ট্রে ৩ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল

news image

থাই-মালয়েশিয়া সীমান্তে নৌকাডুবিতে ৭ রোহিঙ্গার মৃত্যু, ২ বাংলাদেশি উদ্ধার

news image

দূষণে প্রতিদিন ১৬০ জনেরও বেশি মৃত্যু

news image

মালয়েশিয়ায় পাচারকালে নৌকাডুবি, বাংলাদেশিসহ ৬ জন উদ্ধার

news image

বাংলাদেশ সীমান্তে সেনাসমাবেশ বাড়াচ্ছে ভারত, ৩০ কিমির মধ্যে ৩ ঘাঁটি

news image

নেতানিয়াহুসহ ৩৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

news image

পাকিস্তানে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের স্বর্ণের খনি আবিষ্কার!

news image

ফিলিপাইনে টাইফুন কালমেগি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৪

news image

মারা গেলেন ইরাক ধ্বংসের অন্যতম হোতা ডিক চেনি

news image

যুক্তরাজ্যে ট্রেনে ছুরিকাঘাতে আহত ১০

news image

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় হামলা আইডিএফ'র, নিহত ২

news image

গাজায় ভয়াবহ বিমান হামলা শুরু করল ইসরাইল

news image

ইরানে ‘মোসাদ গুপ্তচরের’ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

news image

ঘর আর নেই, তবু ঘরে ফিরছে গাজাবাসী

news image

‘শিশুদের নোবেল’ পুরস্কারে জন্য মনোনীত রাজশাহীর মুনাজিয়া

news image

৭৫ বছরে বিয়ে করে বাসর ঘরে বৃদ্ধের মৃত্যু

news image

গাজামুখী নৌবহর আটকে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান

news image

চিকিৎসকদের হাতের লেখা ঠিক করতে বললেন আদালত

news image

এবার নেতানিয়াহুকে নিষেধাজ্ঞা দিল স্লোভেনিয়া

news image

সুদানে মসজিদে ড্রোন হামলায় নিহত অন্তত ৭৮ জন

news image

শ্যালিকাকে নিয়ে পালালেন দুলাভাই, দুলাভাইয়ের বোনকে নিয়ে চম্পট শ্যালক!

news image

ইসরায়েলি হামলার ভয়ে চীনা আকাশ প্রতিরক্ষা মোতায়েন করল আরেক মুসলিম দেশ