নবীন নিউজ, ডেস্ক ১৫ অক্টোবার ২০২৪ ০৪:৩৯ পি.এম
হজরত ইবরাহিম আ.-এর যুগের অত্যাচারী, অহংকারী ও খোদাদ্রোহী বাদশা ছিল নমরুদ। নমরুদ ৪০০ বছর ধরে রাজত্ব পরিচালনা করেছিল। সে নিজেকে একমাত্র উপাস্য মনে করে বসেছিল। নমরুদের দরবারে ইবরাহিম আ.-এর বির্তক হয়েছিল আল্লাহর তাওহীদ ও একত্ববাদের বিষয়ে। এই বিতর্কে নমরুদ পরাজিত হয়ে তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ করেছিল।
ইবরাহিম আ. যখন নমরুদের রাজ দরবারে গেলেন তখন নমরুদ তাঁকে জিজ্ঞেস করল, বল তোমার উপাস্য কে? নমরুদ ভেবেছিল, ইবরাহীম তাকেই উপাস্য বলে স্বীকার করবে। কিন্তু নির্ভীক কণ্ঠে ইবরাহীম জবাব দিলেন, رَبِّيَ الَّذِيْ يُحْيِـيْ وَيُمِيْتُ ‘আমার পালনকর্তা তিনি, যিনি মানুষকে বাঁচান ও মারেন’।
মোটাবুদ্ধির নমরুদ বলল, أَنَا أُحْيِـيْ وَأُمِيْتُ ‘আমিও বাঁচাই ও মারি’। অর্থাৎ মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীকে খালাস দিয়ে মানুষকে বাঁচাতে পারি। আবার খালাসের আসামীকে মৃত্যুদন্ড দিতে পারি। এভাবে সে নিজেকেই মানুষের বাঁচা-মরার মালিক হিসাবে সাব্যস্ত করল।
ইবরাহীম আ. তখন দ্বিতীয় যুক্তি পেশ করে বললেন, فَإِنَّ اللهَ يَأْتِيْ بِالشَّمْسِ مِنَ الْمَشْرِقِ فَأْتِ بِهَا مِنَ الْمَغْرِبِ
‘আমার আল্লাহ সূর্যকে পূর্ব দিক থেকে উদিত করেন, আপনি তাকে পশ্চিম দিক থেকে উদিত করুন’।
ইবরাহিম আ.-এর এই চ্যালেঞ্জের কথা শুনে নমরুদ হতবুদ্ধি হয়ে গেল। কিন্তু সে নিজের এই প্রকাশ্য পরাজয় কোনোভাবে মেনে নিল না। অহংকারে ফেটে পড়লো সে। এবং ইবরাহীমকে জ্বলন্ত আগুনে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার নির্দেশ জারি করল। একইসঙ্গে জনগণকে তার নিজের তৈরি ধর্মের দোহাই দিয়ে বললো,
حَرِّقُوهُ وَانصُرُوا آلِهَتَكُمْ إِنْ كُنتُمْ فَاعِلِيْنَ
‘তোমরা একে পুড়িয়ে মার এবং তোমাদের উপাস্যদের সাহায্য কর, যদি তোমরা কিছু করতে চাও।’ (সূরা আম্বিয়া, আয়াত : ৬৮)।
নমরুদের নির্দেশমতো বিশাল আগ্নিকুন্ড তৈরি করা হলো, এতে কয়েকদিন ধরে আগুন জ্বালানো হলো। তারপর সেখানে খলীলুল্লাহকে নিক্ষেপ করা হল। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর ওপর ভরসা করলেন ইবরাহিম আ.। তিনি বললেন,
حَسْبُنَا اللهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
‘আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি কতই না উত্তম তত্ত্বাবধায়ক’।
ইবরাহিম আ.-কে আগুনে নিক্ষেপ করা হলেও আগুন তাঁকে পুড়ালো নাা। আল্লাহ তায়ালা নিজ কুদরত ও অনুগ্রহে তাঁকে আগুনের লেলিহান শিখা থেকে রক্ষা করলেন। তিনি আগুনকে শীতল হওয়ার আদেশ দিলেন। ফলে জ্বলন্ত অগ্নিকুন্ড ইবরাহিম আ.-এর জন্য আরামদায়ক পরিবেশে পরিণত হলো।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহর নির্দেশের বিষয়টি উঠে এসেছে এভাবে—
قُلْنَا يَا نَارُ كُونِيْ بَرْداً وَّسَلاَماً عَلَى إِبْرَاهِيمَ ‘হে আগুন! ঠান্ডা হয়ে যাও এবং ইবরাহীমের উপরে শান্তিদায়ক হয়ে যাও।’ সূরা আম্বিয়া, আয়াত : ৬৯।
নবীন নিউজ/ জেড
মহানবী এর রওজা জিয়ারতের নতুন নিয়ম ও সময়সূচি ঘোষণা
চাকরি হচ্ছে না? এই ২ আমলে দ্রুত মিলবে সমাধান
মসজিদের পাশে কবর দিলে কি কবরের আজাব কম হয়?
বাংলাদেশ থেকে এবার কতজন হজে যেতে পারবেন, জানাল মন্ত্রণালয়
বিশ্বের প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে যে ইতিহাস গড়ল মালদ্বীপ
স্বামীর ভালোবাসা ফিরিয়ে আনার কোরআনি আমল
অভাব-অনটন থেকে মুক্তি মিলবে যে দোয়ায়
আল-আজহার মসজিদের ১ হাজার ৮৫ বছর উপলক্ষে ইফতারে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
একটি পাখির কারণে আফ্রিকার প্রথম মসজিদের স্থান নির্বাচন করা হয়েছিল!
ধর্ষণকারীকে যে শাস্তি দিতে বলেছে ইসলাম
রোজা রেখে আতর-পারফিউম ব্যবহার করা যাবে?
ধর্ষণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে যা বললেন আজহারী
রোজার মাস মানেই কি ভালো খাবার খাওয়া?
রমজানে রোগীদের জন্য কিছু মাসয়ালা
অজু-গোসলের সময় গলায় পানি গেলে রোজা ভেঙে যাবে?
মসজিদে হারাম ও নববিতে আজ জুমার নামাজ পড়াবেন যারা
ইফতারে ঝটপট সবজি কাটলেট তৈরি করবেন যেভাবে
আলট্রাসনোগ্রাম করলে রোজা ভেঙে যাবে?
ইফতারের পর ধূমপান করলে যেসব বিপদ ঘটে শরীরে
যেসব কারণে রোজার ক্ষতি হয় না
জাকাতের টাকায় ইফতার সামগ্রী দেওয়া যাবে?
ইফতারের আগে করা যায় যেসব আমল
রোজা আদায় না করলে যে শাস্তি
মানুষের সেবা করার সেরা মাস রমজান
‘আমিই জীবন দেই, আমিই মৃত্যু দেই, আর আমার কাছেই সবাইকে ফিরে আসতে হবে’
রমজানে যে ৭ আমল বেশি করতে হবে
রমজান মাসে ফজিলতপূর্ণ যে ৩ আমল করবেন
ইফতারে আরবদের পাতে শোভা পায় যেসব ঐতিহ্যবাহী খাবার
রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত
রমজানে ওমরা করলে আসলেই কি হজের সওয়াব পাওয়া যায়?