নবীন নিউজ, ডেস্ক ০৭ নভেম্বার ২০২৪ ০৯:৩৪ এ.এম
মার্কিন মুলুকে নির্বাচন আর দুশ্চিন্তায় ঘামছেন চীনে বিনিয়োগকারী ও চীনা ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যসংশ্লিষ্টদের মধ্যে এ উদ্বেগ অনেকটা বেশি। কারণ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, যার ব্যাপক পরিচিতি বেইজিংয়ের কঠোর সমালোচক হিসেবে।
হোয়াইট হাউজে ঢুকতে পারলেই চীনা পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পথে ট্যারিফের দেয়াল তোলার আগাম ঘোষণা এরই মধ্যে দিয়ে রেখেছেন ট্রাম্প। তবে তার বদলে কমলা হ্যারিস জিতলেও তা দেশটির জন্য বেশি স্বস্তিকর হতো না বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে চীন থেকে ব্যবসা ও বিনিয়োগ সরিয়ে নেয়ার যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, তা আরও বেগবান হতে পারে পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্টের মেয়াদে। হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়েছে এমনটাই।
হোয়াইট হাউজের পরবর্তী প্রশাসনের অধীনে চীনা পণ্যের ওপর থাকা বর্তমান ট্যারিফ বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ভিয়েতনামে কর্মরত বিজনেস কনসালটেন্ট কাইল ফ্রিম্যান এমনটাই মনে করছেন। তিনি সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে বলেন, ‘এটা না হলে, তা হবে ব্যতিক্রম।’
ফ্রিম্যান আগে চীনে কাজ করলেও বছর দুয়েক আগে ভিয়েতনামের হো চি মিন নগরীতে চলে আসেন। শুধু ফ্রিম্যানের প্রতিষ্ঠানই নয়, এ রকম পশ্চিমা অনেক প্রতিষ্ঠান বর্তমানে চীনের পাশাপাশি অন্যান্য দেশেও নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারিত করছে।
মূলত চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পাশাপাশি বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য বাণিজ্যযুদ্ধের আশঙ্কাই এর কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সব ডিম এক ঝুড়িতে না রেখে যেসব পশ্চিমা প্রতিষ্ঠান চীনে ব্যবসা করতেন, তারা এখন তাদের সাপ্লাই চেন অটুট রাখতে চীনের পাশাপাশি অন্যান্য দেশেও তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারিত করছে।
আর তাদের এ পদক্ষেপ অমূলক কিংবা অযৌক্তিক নয় বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। চীনের বিরুদ্ধে ট্যারিফ আরোপ করতে পারলে ডোনাল্ড ট্রাম্প কতটা খুশি হবেন, তা বোঝা যায় নির্বাচনী প্রচারণায় করা তার উক্তিতে।
তিনি বলেছিলেন, ‘ডিকশনারির সবচেয়ে সুন্দর শব্দ হলো ট্যারিফ।’ পাশাপাশি নির্বাচিত হলে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি হওয়া সব চীনা পণ্যের ওপর গণহারে ৬০ শতাংশ ট্যারিফ আরোপেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।
এ ব্যাপারে জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের শিক্ষক ডেভিড স্টেইনবার্গ বলেন, আগের মেয়াদে করা প্রেসিডেন্সি থেকে বর্তমান মেয়াদে ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি আরও আগ্রাসী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এছাড়া, চীনের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের এ আগ্রাসী বাণিজ্য সংরক্ষণ নীতি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহলে খুব বেশি বাধার সম্মুখীন হবে না বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমজীবী মানুষের মধ্যেও বাণিজ্য সংরক্ষণ নীতি এ মুহূর্তে অনেকটাই জনপ্রিয়। তাদের মতে, সস্তা বিদেশি পণ্যে মার্কিন বাজার সয়লাব হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পের বিকাশ হচ্ছে না। পাশাপাশি তাদের আয়েও এর প্রভাব পড়ছে। আর তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শ্রমজীবীরা।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে এ মনোভাবের যে প্রভাব, তার সবচে বড় উদাহরণ হলো বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বাইডেন। তার আগের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমলে আরোপিত বিভিন্ন ট্যারিফের প্রায় বেশিরভাগই বহাল রেখেছেন তিনি।
এদিকে, সম্ভাব্য এ ট্যারিফযুদ্ধ নিয়ে উদ্বিগ্ন চীন সরকারও। যদিও তারা বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তেমন প্রতিক্রিয়া এখনও দেখায়নি। তবে ভেতরে ভেতরে এ ধরনের পরিস্থিতি সামলানোর উপায় নিয়ে কাজ করছে দেশটি।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন নির্বাচনে চীনের বিরুদ্ধে ট্যারিফ ইস্যুটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনায় বেইজিংয়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়েছিল। চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র তখন বলেন, ‘মার্কিন নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আমাদের এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য নেই। তবে আমরা এ নির্বাচনে চীনকে ব্যবহার করার বিরুদ্ধে।’
নবীন নিউজ/জেড
আফগানিস্তানে বর্ণ ও দাসপ্রথাকে আইনি স্বীকৃতি, আলেমরা অপরাধ করলে দায়মুক্তি
না ফেরার দেশে সৌদির সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি, রেখে গেলেন ১৩৪ বংশধর
জাতিসংঘের ও আন্তর্জাতিক ৬৬ সংস্থা থেকে বেরিয়ে যাবার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
২য় বিয়ে করলে ৭ বছর কারাদণ্ড
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে কতটা প্রভাব ফেলবে ‘হাসিনা ইস্যু’
পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে ব্যাপক গোলাগুলি, নিহত ২৩ জন
২৬ জন বাংলাদেশীকে নিয়ে লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, ৪ জনের মৃত্যু
বিবিসির কাছে থেকে ৫০০ কোটি ডলার চাইতে পারেন ট্রাম্প
শাটডাউনে যুক্তরাষ্ট্রে ৩ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল
থাই-মালয়েশিয়া সীমান্তে নৌকাডুবিতে ৭ রোহিঙ্গার মৃত্যু, ২ বাংলাদেশি উদ্ধার
দূষণে প্রতিদিন ১৬০ জনেরও বেশি মৃত্যু
মালয়েশিয়ায় পাচারকালে নৌকাডুবি, বাংলাদেশিসহ ৬ জন উদ্ধার
বাংলাদেশ সীমান্তে সেনাসমাবেশ বাড়াচ্ছে ভারত, ৩০ কিমির মধ্যে ৩ ঘাঁটি
নেতানিয়াহুসহ ৩৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
পাকিস্তানে ৬০০ বিলিয়ন ডলারের স্বর্ণের খনি আবিষ্কার!
ফিলিপাইনে টাইফুন কালমেগি: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৪
মারা গেলেন ইরাক ধ্বংসের অন্যতম হোতা ডিক চেনি
যুক্তরাজ্যে ট্রেনে ছুরিকাঘাতে আহত ১০
যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় হামলা আইডিএফ'র, নিহত ২
গাজায় ভয়াবহ বিমান হামলা শুরু করল ইসরাইল
ইরানে ‘মোসাদ গুপ্তচরের’ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
ঘর আর নেই, তবু ঘরে ফিরছে গাজাবাসী
‘শিশুদের নোবেল’ পুরস্কারে জন্য মনোনীত রাজশাহীর মুনাজিয়া
৭৫ বছরে বিয়ে করে বাসর ঘরে বৃদ্ধের মৃত্যু
গাজামুখী নৌবহর আটকে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান
চিকিৎসকদের হাতের লেখা ঠিক করতে বললেন আদালত
এবার নেতানিয়াহুকে নিষেধাজ্ঞা দিল স্লোভেনিয়া
সুদানে মসজিদে ড্রোন হামলায় নিহত অন্তত ৭৮ জন
শ্যালিকাকে নিয়ে পালালেন দুলাভাই, দুলাভাইয়ের বোনকে নিয়ে চম্পট শ্যালক!
ইসরায়েলি হামলার ভয়ে চীনা আকাশ প্রতিরক্ষা মোতায়েন করল আরেক মুসলিম দেশ