মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
আইন

শরীফাকে কেউ মনে রাখে নি, ফাঁসির দিন গুনে ‘মৃত্যু সেলে’ ২৪ বছর

নবীন নিউজ, ডেস্ক ০২ জুলাই ২০২৪ ০৪:২৯ পি.এম

সংগৃহীত

২৬ বছর আগে হত্যা মামলায় শরীফা বেগম যখন কারাগারে যান, মেয়ে সূচী আক্তারের বয়স তিন মাস। কারাগারে কয়েকবার মাকে দেখলেও কখনো ছুঁয়ে দেখা হয়নি তার। মায়ের স্নেহ বোঝার আগেই মায়ের বুকে জড়িয়ে থাকার সুখানুভূতি কেমন তাও জানা নেই।

একই অবস্থা মা শরীফারও। কারাগারে যাওয়ার পর আর কখনো সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরা হয়নি তার। কারণ ৫৫ বছরের জীবনের প্রায় ২৪ বছরই ‘মৃত্যু সেলে’ থাকা শরীফার মামলার বিচারই এখনো শেষ হয়নি।

১৯৯৮-এ গ্রেপ্তারের পর ২০০০ সালের অক্টোবরে বিচারিক আদালতে তার ফাঁসির রায় হয়। সেই থেকে তিনি ফাঁসির সেলে (কনডেম সেল) বন্দি। ২০০৩ সালে হাইকোর্টে তার সাজা বহাল থাকে। এরপর ২১ বছরেও তার আপিল নিষ্পত্তির তথ্য মেলেনি। এই দীর্ঘ সময় ফাঁসির সেলে থাকা শরীফার কথা আদালত, কারা কর্তৃপক্ষ, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় কারও মনে আসেনি। এই নারী জানতে পারেননি তিনি দোষী না নির্দোষ।

কারা কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, কারা ইতিহাসে আর কোনো নারী আসামিকে এত দীর্ঘ সময় ফাঁসির সেলে থাকতে হয়নি। এত লম্বা সময় (২৬ বছর) কোনো নারী কারাবাসে ছিলেন কি না, সে তথ্যও মেলেনি।

শরীফার মতো জামালপুরের আবদুস সামাদ আজাদ ওরফে সামাদও একই মামলায় গত ২৪ বছর ধরে ফাঁসির সেলে বন্দি। কারা ইতিহাসে তিনিই সম্ভবত একমাত্র পুরুষ আসামি যাকে এত দীর্ঘ সময় ফাঁসির সেলে থাকতে হচ্ছে। শেখ জাহিদ নামে খুলনার এক ব্যক্তি ২০ বছর ফাঁসির সেলে থাকার পর ২০২০ সালে ২৫ আগস্ট আপিল বিভাগের আদেশে খালাস ও পরে মুক্তি পান।

দেশে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে অনেক নারীর মৃত্যুদন্ডের মতো কঠোর সাজা হলেও সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগে তা রহিত হয়ে যাবজ্জীবন, খালাস কিংবা অন্য মেয়াদের কারাদ- হয়েছে। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত কোনো নারীর ফাঁসি কার্যকর হয়নি। কিছু ব্যতিক্রম বাদে ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদন্ড অনুমোদন) মামলা সর্বোচ্চ ১৫ বছরের মধ্যে নিষ্পত্তি হয়। আসামি নারী হলে সে সময় আরও কমে যায়।

ফৌজদারি আইন ও সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যাবজ্জীবন সাজা ৩০ বছর হলেও কারাবাসের রেয়াত মিলে সেটি হয় সাড়ে ২২ বছর। কারও বেলায় নানা কারণে সেটি আরও কমে আসে।

ফৌজদারি আইনবিদ ও মানবাধিকারকর্মীদের ভাষ্য, বিচারের নামে প্রতিনিয়ত কাউকে মৃত্যু যন্ত্রণা দেওয়া নিষ্ঠুরতা, অমানবিকতা এবং এটি বিলম্বিত বিচারের একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত।

২০১৬ থেকে শরীফা আছেন গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের ফাঁসির সেলে। এর আগে ছিলেন পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (এখন কেরানীগঞ্জে)। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের শাহবাজপুর গ্রামে। দীর্ঘদিন জেলে থাকায় স্বামী মো. ওবায়দুল্লাহ (৬০) অনেক আগেই অন্যত্র বিয়ে করেছেন। তিনি কোনো খোঁজ নেন না। ছেলে অরিদ মিয়া (৩৫) স্থানীয় একটি বাস পরিবহনে চালকের সহকারীর কাজ করেন। আর্থিক অসংগতি ও মুক্তির সম্ভাবনা নেই মনে করে শরীফার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ কমে গেছে। 

সম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গিয়ে শরীফার ছেলে, মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বলেন, তাদের মাকে এ মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। মায়ের বিষয়টি তারা ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন।

শরীফার বিচারে এমন বিলম্বের বিষয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না বিস্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘দেশে বিচার বিলম্বিত হয়। তাই বলে এতটা! একজন নারীর বিচার করতে গিয়ে তাকে ফাঁসি কার্যকরের চেয়েও বড় শাস্তি দেওয়া হলো। এটা তো বিচারের নামে অবিচার আর মানবাধিকার লঙ্ঘনের চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত।’

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘একজনের দোষ খুঁজতে ২৬ বছর চলে গেলে তার বিচার, সাজার কিছু কি বাকি থাকে? এখন তিনি যদি সাজা থেকে খালাস পান, এই যে প্রতিমুহূর্ত মৃত্যুর মতো মানসিক যন্ত্রণা বইলেন; এর দায়, ক্ষতিপূরণ, এতগুলো বছর কে ফিরিয়ে দেবে?’

কারা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তার তথ্যের সূত্র ধরে গত দুই মাস শরীফার মামলা, তার সাজা ও দুই যুগ ধরে ফাঁসির সেলে থাকা এবং আপিল নিয়ে অনুসন্ধান করা হয় ।

তবে এ সময়ে সংশ্লিষ্ট থানা, ঢাকার বিচারিক আদালত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো (ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিল শাখা) এবং কারা কর্তৃপক্ষের কাছে থানার মামলা নম্বর, দায়রা মামলা নম্বর, ডেথ রেফারেন্স নম্বর, জেল আপিল নম্বর নিয়ে নথির খোঁজে যোগাযোগ করলে বলা হয়, ‘নথি নেই’। সময় লাগবে বলে এড়িয়ে যান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

একটি মোবাইল ফোন নম্বরের সূত্র ধরে শরীফার মেয়ে সূচী এবং তার তথ্যমতে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করে মামলার কিছু তথ্য জোগাড় করেন এ প্রতিবেদক।

যেভাবে আসামি হন শরীফা ...

প্রাপ্ত তথ্য বলছে, ১৯৯৮ সালের ২২ মে রাজধানীর মতিঝিল থানার অধীন শান্তিনগর এলাকার ১১৪/৩ ভবনের চতুর্থতলার একটি ফ্ল্যাটে রুবিনা আক্তার নামে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার সময় রুবিনার স্বামী মাঈন উদ্দিন আহমেদ ঋতু চাকরি সূত্রে আমেরিকা ছিলেন। তাদের দুই বছর বয়সী মেয়ে মাইসা হত্যাকান্ডের সময় অক্ষত থাকে। এ ঘটনায় নিহত রুবিনার বড় ভাই জাফর ইমাম মতিঝিল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা [মামলা নম্বর ১৬১ (৫) ৯৮] করেন। পর্যায়ক্রমে চার আসামি আবদুস সামাদ আজাদ ওরফে সামাদ, শরীফা, মো. এমদাদুল হক এমদাদ ও আবু ইউসুফ নিয়াজী ওরফে আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তদন্ত শেষে তাদের অভিযুক্ত করে একই বছরের ১৫ জুন ঢাকার আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

অভিযোগ অনুযায়ী, রুবিনার ফ্ল্যাটে গৃহকর্মীর কাজ করতেন শরীফা। একই ভবনের তৃতীয়তলার একটি ফ্ল্যাটে গৃহভৃত্য সামাদের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে শরীফাকে বকাঝকা, ঘটনা প্রকাশ করা ও মারধর করে তাড়িয়ে দেন রুবিনা।

আসামি আরিফ ও এমদাদ একই ভবনে দারোয়ান ছিলেন। শরীফার সঙ্গে সামাদের বিয়ে দিতে এবং রুবিনার ওপর প্রতিশোধ নিতে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেন। একই বছরের ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়।

সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে ২০০০ সালের ৩১ অক্টোবর সামাদ ও শরীফাকে মৃত্যুদন্ড, এমদাদ ও আরিফকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দেয় আদালত। রায়ের দিন সামাদ ও শরীফাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ফাঁসির আসামিদের সেলে।

শেষের অপেক্ষায় শরীফা

বিচারিক আদালতের রায়ের কিছুদিনের মধ্যে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত দুজনের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে যার নম্বর ৪৭/২০০০। আর্থিক সংগতি না থাকায় সামাদ ও শরীফার পক্ষে জেল আপিল (জেল আপিল নম্বর ৩৮০৮/২০০০) হয়। অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশের বিরুদ্ধে নিয়মিত আপিল করেন আসামি আরিফ। শুনানি নিয়ে ২০০৩ সালের ২২ জুলাই বিচারপতি এ কে বদরুল হক (২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর প্রয়াত) ও বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের (পরে আপিল বিভাগের বিচারপতি ও প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০২১ এর ৩০ ডিসেম্বর অবসরে) হাইকোর্ট বেঞ্চ সামাদ ও শরীফার জেল আপিল খারিজ করে দুজনের মৃত্যুদন্ড বহাল রাখে।

এ ছাড়া আরিফের আপিল খারিজ করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড বহাল রাখে আদালত। অন্যদিকে বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এমদাদের বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ে কিছু বলা হয়নি। এ আসামির বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায়নি। হাইকোর্টে সাজাপ্রাপ্তদের রায়ের অনুলিপি প্রকাশ হয় ১৩ বছর পর ২০১৬ সালের ২৪ জুলাই। এক বছর পর ২০১৭ সালের ২ নভেম্বর সামাদ ও শরীফার পক্ষে আপিল বিভাগে আপিল করেন (ক্রিমিনাল আপিল নম্বর ৯৬/২০১৭) অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড আবদুল হাই।

একই সঙ্গে শরীফার পক্ষে শুনানি করতে অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমানকে নিযুক্ত করেন শরীফার সন্তান অরিদ ও সূচী। সামাদের স্বজনরাও তাকে নিযুক্ত করেন।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২৯ ও ৩০ জুন তখনকার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বেঞ্চের কার্যতালিকায় মামলাটি শুনানির জন্য এলেও তখন শুনানি হয়নি। এরপর মামলাটি আর কার্যতালিকায় আসেনি বলে জানান অ্যাডভোকেট হাবিব।

তিনি বলেন, ‘তখন আপিল শুনানি ও নিষ্পত্তির চেষ্টা করেছি। কিন্তু শুনানি হয়নি। বছর দুয়েক আগে শরীফার ছেলে মামলার ফাইল নিয়ে গেছে। এরপর এ মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানা নেই।’

আসামি সামাদের বিষয়ে অ্যাডভোকেট হাবিব বলেন, ‘সামাদ এখন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আছেন। তার এক মামাতো ভাই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। তবে তিন বছর ধরে যোগাযোগ নেই। সামাদের মায়ের সঙ্গে মাসেক খানেক আগে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছিল। পরে আর তিনিও যোগাযোগ করেননি।’

তিনি বলেন, ‘মামলার তদবির না হলে তো নিষ্পত্তি হবে না।’

শরীফার ছেলে অরিদ বলেন, ‘মায়ের মুক্তির কথা বললে সবাই খালি টেকা চায়। এত টেকা কই পাই। মামলার খবর নেই না। ভাগ্যে থাকলে মায়ে ফিরা আসবো।’

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহজাহান আহমেদ বলেন, হাইকোর্টের রায়ের পর শরীফার আপিল কিংবা জেল আপিলের বিষয়ে কোনো তথ্য বা নথি তাদের কাছে নেই। রায়ের পর শুধু সাজার পরোয়ানা দিয়ে আসামিকে পাঠানো হয়। আপিল নিষ্পত্তির কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন আগের কথা, তথ্য জেনে বলতে হবে।’

শরীফার মেয়ে সূচী বলেন, মায়ের সঙ্গে যতবার দেখা ও কথা হয়েছে কখনো মনে হয়নি এরকম একটি অপরাধে তিনি জড়াতে পারেন। তিনি বলেন, ‘মায়েরে কখনো ছুঁইয়া দেখি নাই। কেউ তো খোঁজ নেয় নাই। এই কারণেই মায়ে জেল থেইক্যা বাইরোতে পারে নাই। এতটা দিন কষ্ট ক্যান করতাছে সেটি যদি জানতে পারতাম!’

শরীফার মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের যে মামলাগুলো ফিক্সড করাতে হয় আমাদের দায়িত্বে। এটা তো তাদের মামলা (আসামিদের আপিল)। তারা মামলাটি ম্যানশন (উপস্থাপন) করবে না? ফিক্সড করবে না? আর রেকর্ডে তো থাকতে হবে মামলার কখন কী হয়েছে। আমরা তো তাও জানি না।’

তিনি বলেন, ‘তারা (আসামির আইনজীবী) যদি আমাদের কাছেও আসত, রাষ্ট্রপক্ষের উদ্যোগে এটা নিষ্পত্তি করে দিতাম। আসামির স্বজনরা যদি প্রধান বিচারপতি কিংবা আপিল বিভাগে একটা আবেদন করত তাহলেও হয়ে যেত।’

এ এম আমিন আরও বলেন, ‘আসামিপক্ষের আইনজীবীদের দায়িত্ব ছিল মামলাটি শেষ করার। তাদের মনে হয় ইচ্ছা নেই। তারা যেহেতু দায়িত্ব নিচ্ছে না খোঁজ নিয়ে দেখব। আমরাই মামলাটি করব।’

নবীন নিউজ/জেড

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

ধর্ষকের সঙ্গে ভুক্তভোগীর বিয়ে বন্ধের রিট খারিজ

news image

খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদের নেপথ্যে ছিলেন খায়রুল

news image

কারাগারে কয়েদিদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর হাতাহাতি

news image

কারাগারে মশার কামড়ে ঘুম হচ্ছে না, খুব কষ্টে আছি: ছাত্রলীগ নেতা

news image

কারাগারে সাবেক মন্ত্রী-এমপিরা ‘জামাই আদরে’, যা বলছেন ডিআইজি প্রিজন্স

news image

পুলিশের জন্য কী না করেছি, আক্ষেপ সাবেক আইজিপি শহীদুল হকের

news image

আ.লীগ আমলের ৩ নির্বাচন রাষ্ট্রীয়ভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে নোটিশ

news image

নাটোরে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার

news image

ধর্ষণের পর হত্যা: প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

news image

গাজীপুরে আদালত থেকে আসামি ছিনতাই

news image

চটপটির দোকান দেখিয়ে ২৩৪ কোটি টাকা ঋণ: ব্যবসায়ীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

news image

১২ দিনের রিমান্ডে পলক

news image

সালমান ও পরিবারের সদস্যদের ৩৭২ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

news image

সবার ৭দিন হলেও কারাগারে থাকা উচিত: পলক

news image

কারাগারে বসে কি স্ট্যাটাস দেওয়া যায়, প্রশ্ন ফারুক খানের

news image

আদালতে ইনু বললেন 'যেই লাউ সেই কদু'

news image

পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখার কৌশল: অ্যাটর্নি জেনারেল

news image

দীপু মনির ১৬টি ব্যাংক হিসাব ফ্রিজের আদেশ

news image

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ঢাকায় ৫৭৬টি মামলা

news image

ব্যাপক নিরাপত্তা, সুপ্রিম কোর্টে প্রবেশে সঙ্গে রাখতে হবে পরিচয়পত্র

news image

সুপ্রিম কোর্টে সেনা মোতায়েন, রয়েছে র‌্যাব-পুলিশও

news image

প্রাথমিকের ৬ হাজার ৫৩১ সহকারী শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল

news image

সুপ্রিম কোর্টে সাংবাদিকদের ওপর হামলা

news image

চুপ থাকার সময় শেষ: পলক

news image

কারাগারে নেওয়ার সময় সাবেক মন্ত্রী ফরহাদকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ

news image

স্ত্রী-সন্তানসহ সাদেক খানের অর্ধশত ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

news image

চলন্ত ট্রাকে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণে চালকের আমৃত্যু কারাদণ্ড

news image

ছুটিতে পাঠানো হাইকোর্টের বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের পদত্যাগ

news image

অস্ত্র মামলায় খালাস পেলেন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন

news image

১৭ বছর পর আজ কারামুক্ত হচ্ছেন লুৎফুজ্জামান বাবর