মঙ্গলবার ২১ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
জাতীয়

হঠাৎ ডিম উধাও, সরবরাহ সংকট নাকি সিন্ডিকেটের কারসাজি?

নবীন নিউজ ডেস্ক ১৬ অক্টোবার ২০২৪ ১০:৫৪ এ.এম

সংগৃহীত ছবি সংগৃহীত ছবি

শাকসবজি থেকে শুরু করে নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই সবচেয়ে সহজলভ্য প্রাণিজ আমিষের উৎস হিসেবে পরিচিত ডিম নিয়ে মহাসংকটে রাজধানীবাসী। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বাজার থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার অধিকাংশ দোকান ঘুরে মেলেনি ডিমের দেখা। কোনো কোনো দোকানে অল্প সংখ্যক ডিম মিললেও তা বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।

পাড়া মহল্লার দোকানগুলোতে ক্ষেত্র বিশেষ ডিমের ডজন ২০০ টাকায় এবং একটি ডিম ১৮ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ডিম না থাকার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে বিক্রেতারা সরবরাহ সংকট এবং তেজগাঁওয়ে অবস্থিত দেশের সবচেয়ে বড় ডিমের পাইকারি বাজারে ব্যবসায়ীদের ডাকা ধর্মঘটকে কারণ হিসেবে দুষছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকার নির্ধারিত দামে ডিম বিক্রিতে অপারগতা প্রকাশ করে গত রোববার (১৩ অক্টোবর) থেকেই তেজগাঁওয়ের ডিমের বাজারে বেচাকেনা বন্ধ করে দেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। তেজগাঁও রেলস্টেশন সংলগ্ন এই ডিমের বাজারে বন্ধ ছিল সব ডিমের দোকান। রোববার থেকে রাজধানীর বাইরে থেকে আসা কোনো ডিমের ট্রাক প্রবেশ করেনি এই পাইকারি বাজারে।
 
ব্যবসায়ীরা অবশ্য এই অবস্থাকে ‘ধর্মঘট’ হিসেবে উল্লেখ না করলেও তাদের দাবি সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে, খামারেই তার থেকে বেশি দামে তাদের কিনতে হচ্ছে। এই অবস্থায় ডিম বিক্রি করে লোকসানের মুখোমুখি হতে চান না তারা। তাই বাধ্য হয়েই ডিম বেচাকেনা বন্ধ করে দিয়েছেন তারা।
 
এদিকে দেশের ডিমের সবচেয়ে বড় এই বাজারে বেচাকেনা বন্ধ হওয়ার তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায়। রাজধানীর কাঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি মুদির দোকানে গিয়ে দেখা যায় ডিম কিনতে এসে ফিরে যাচ্ছেন এক গৃহিণী। জানালেন মহল্লার কোনো দোকানে ডিম পাননি তিনি।
 
দোকানি জানালেন, দুদিন থেকে ডিম নেই তার দোকানে। কারওয়ানবাজারে গিয়ে ঘুরে এসেছেন কিন্তু ডিম পাননি। সেখান থেকে পাশের মহল্লায় গিয়ে একটি দোকানে দেখা মিলল ডিমের। দোকানি জানালেন, এই ডিমগুলো তার দুদিন আগের কেনা। গত দুদিন থেকে ডিম কিনতে পারেননি তিনিও।
 
সরেজমিনে দেখা গেল, মহল্লাগুলোতে যে সব দোকানে ডিম পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে প্রতি ডজন ২০০ টাকা, এবং প্রতিটি ডিম ১৮ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
 
কারওয়ানবাজার সিগন্যাল মোড়ে সোনারগাঁও হোটেলের ঠিক বিপরীত পাশে অস্থায়ী দোকানে বসে সিদ্ধ ডিম বিক্রি করছিলেন কয়েকজন। সেখানে খামারের লাল ডিমের বদলে দেখা গেল হাঁসের ডিম।
 
ডিম বিক্রেতারা জানালেন, প্রতিটি হাসের ডিম তাদের কিনতে হয়েছে ২০ টাকা করে। মুরগির লাল ডিমের সংকটের কারণে দাম বেড়েছে হাঁসের ডিমেরও।
 
কারওয়ানবাজারের কিচেন মার্কেট সংলগ্ন ডিমের খুঁচরা বাজারে মঙ্গলবার দুপুরে দেখা মেলেনি কোনো ডিম বিক্রেতার। একজন বিক্রেতাকে চোখে পড়ে, যিনি বসেছিলেন অল্প কয়েকটি দেশি মুরগির ডিম নিয়ে। তার দোকানে নেই কোনো খামারের লাল কিংবা সাদা ডিম। প্রতিটি দেশি মুরগির ডিম বিক্রি করছেন ২০ টাকা করে। বিক্রেতা জানালেন, তেজগাঁওয়ের ডিমের বাজারে ধর্মঘটের কারণে পুরো কারওয়ানবাজারের কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না ডিম।
 
তেজগাঁও রেল স্টেশন সংলগ্ন ডিমের পাইকারি বাজারে গিয়ে দেখা গেল সুনসান নীরবতা। সবগুলো দোকানের শার্টার নামানো, নেই ক্রেতা বিক্রেতার উপস্থিতি। স্থানীয় এক ডিম ব্যবসায়ী জানালেন, সরকার যে দরে ডিম বিক্রি করতে বলেছে, সেই দামে ঢাকার বাইরের খামার থেকে ডিম কিনতে পারছেন না তারা। আবার সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে ডিম বিক্রি করলে জরিমানাসহ শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এ কারণে ডিমের বেচাকেনা বন্ধ রেখেছেন তারা।
 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই ডিম বিক্রেতা জানান, প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুরগির ডিম টাঙ্গাইলের বিভিন্ন আড়ত থেকে সংগ্রহ করেন তিনি। সেখান থেকে ডিম এনে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানের খুচরা ব্যবসায়ীদের সরবরাহ করেন। জানালেন, গত কয়েক দিন ধরেই ডিমের বাজার চড়া। এর কারণ হিসেবে দেশের কয়েকটি জেলায় সাম্প্রতিক বন্যার কথা জানালেন তিনি।
 
তার ভাষ্য, বন্যায় দেশের প্রায় আটটি জেলার অধিকাংশ পোল্ট্রি খামার বন্ধ হয়ে গেছে। ডিম পাড়া বা লেয়ার মুরগির খামারে ডিম উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরু হতে প্রায় ছয় মাস সময় লাগে। তাই এই জেলাগুলোতে ডিমের উৎপাদন প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু না হওয়া পর্যন্ত এই জেলাগুলোতে ডিমের ঘাটতি থাকবে, চাহিদা মেটাতে এই জেলাগুলোতে দেশের অন্যান্য স্থান থেকে ডিম সরবরাহ করতে হবে। এই বিষয়টিও প্রভাব ফেলেছে ডিমের দামের সাম্প্রতিক উল্লফনে।
 
এই ব্যবসায়ী আরও জানালেন, মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের আড়তে ডিম বিক্রি হয়েছে প্রতিটি ১২ টাকা ৫০ পয়সা করে। সেখান থেকে একটি ডিম ঢাকা পর্যন্ত আনতে খরচ হয় ২৫ পয়সা। এর পর দোকান ভাড়া, কর্মচারীর খরচ এবং রাজধানীর খুচরা বাজারে সরবরাহ করার জন্য তার নিজের মিনি ট্রাকের খরচ যোগ করে ডিম বিক্রি করতে হয় তাকে। এ পরিস্থিতিতে তাই স্বাভাবিকভাবেই সরকার নির্ধারিত দরে ডিম বিক্রি করতে পারছেন না তিনি।
 
ডিমের পাইকারি দোকানগুলো বন্ধ থাকলেও খোলা রয়েছে তেজগাঁও ডিমের আড়ত মালিক সমিতির অফিস। সেখানেই দেখা মিলল ব্যবসায়ী এই সংগঠনটির সদ্য সাবেক সভাপতি আমানত উল্লাহর। গত জুলাই মাসে শারীরিক কারণে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের পর এখন পর্যন্ত সভাপতি নির্বাচন করা হয়নি এই সমিতির।
 
ডিমের দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে কোভিড মহামারি এবং পরবর্তীতে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে  খাদ্যপণ্যসহ খামারে মুরগি লালন পালনের জন্য প্রয়োজনীয় সব কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধিকে দায়ী করেন আমানত উল্লাহ। তার ভাষ্য, কোভিডের সময় দেশের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক খামারিদের একটি বিরাট অংশকে খামার ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হয়। যারা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি। এর পর ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মুরগি লালন পালনের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য থেকে শুরু করে ওষুধ ও ভ্যাক্সিনের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে অনেকে আর মুরগির খামার করতে আগ্রহী হচ্ছেন না। এসব কারণে বর্তমানে বাজারে এক ধরনের সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। এর ওপর এবারের বন্যারও প্রভাব পড়েছে মুরগির ডিমের উৎপাদনে।
 
তবে তিনি দাবি করেন, বাজারে ডিমের দাম বৃদ্ধি পেলেই মিডিয়া থেকে শুরু করে প্রশাসন সবাই তেজগাঁওয়ের ডিম ব্যবসায়ীদের দায়ী করেন, অথচ পুরো রাজধানীর চাহিদার সামান্য অংশই বর্তমানে এই বাজারের ওপর নির্ভর করে। কারণ কাপ্তানবাজার, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী থেকে শুরু করে রাজধানীর অনেক স্থানেই এখন ডিমের পাইকারি আড়ত রয়েছে। সব মিলিয়ে রাজধানীর প্রতিদিনের ৮০ লাখ থেকে ৯০ লাখ ডিমের চাহিদার ১৫ থেকে ২০ লাখ সরবরাহ এই পাইকারি বাজার থেকে। তাই তারা সিন্ডিকেট করে ডিমের দাম বাড়ান, এই অভিযোগ সত্য নয়।
 
পাশাপাশি ডিমের উৎপাদক করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোও সরাসরি তাদের কাছে ডিম বিক্রি করে না বলেও জানান তিনি। মূলত তেজগাঁওয়ের আড়তে ডিম আসে বিভিন্ন জেলার প্রান্তিক খামারি ও পাইকারি আড়ত থেকে। সেখানে সরকার নির্ধারিত দাম থেকে বেশি দামে বিক্রি হলে তাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।
 
তবে বড় উৎপাদকরা যদি সরাসরি তাদের কাছে সরকার নির্ধারিত দরে ডিম বিক্রি করতেন, তাহলে তারাও সরকার নির্ধারিত দরেই খুচরা বাজারে ডিম সরবরাহ করতে পারতেন। এ কারণে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন বৃহৎ উৎপাদক বিশেষ করে করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোকে তেজগাঁওসহ অন্যান্য পাইকারি আড়তে সরাসরি ডিম বিক্রি করতে নির্দেশনা দেয়। এতে পাইকারি চালানের সঙ্গে খুচরা চালানের সামঞ্জস্য থাকার পাশাপাশি ডিমের বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বলেও দাবি করেন আমানত উল্লাহ।
 
তিনি দাবি করেন, শুধু তেজগাঁও ও কাপ্তানবাজারে যদি প্রতিদিন মাত্র ৩০ লাখ ডিম সরকার নির্ধারিত দামে কোম্পানিগুলো সরবরাহ করে তাহলেই দেশের ডিমের বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। ফলে বাধ্য হয়ে দেশের অন্যান্য স্থানের আড়তদার ও পাইকারি বিক্রেতারাও এই দামে ডিম বিক্রি করতে বাধ্য হবেন। কারণ দেশের ডিমের কেন্দ্রীয় বাজার হিসেবে তেজগাঁও ও কাপ্তানবাজারের দিকেই সবাই তাকিয়ে থাকে। এ দুই বাজারে দাম কমলে দাম কমবে অন্যান্য স্থানেও।
 
এদিকে ডিম নিয়ে তৈরি হওয়া এই সংকটের অবসানে মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কার্যালয়ে ডিমের দাম ও সরবরাহ নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বৈঠক হয়। সভায় কাজী ফার্ম, প্যারাগন ও সিপিসহ বড় করপোরেট ব্যবসায়ী ও খামারিরা উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি তেঁজগাও এবং কাপ্তানবাজারের ব্যবসায়ীরাও উপস্থিত ছিলেন।
 
সভায় সিদ্ধান্ত হয় এখন থেকে ডিম উৎপাদক বড় কোম্পানি ও ছোট খামারিরা সরকার নির্ধারিত দামে সরাসরি পাইকারি আড়তে ডিম পাঠাবে, এর মধ্যে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী থাকবে না; সরকার নির্ধারিত দামে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে ডিম বিক্রি করবেন পাইকাররা;
কৃষি বিপণন অধিদফতরের নির্ধারিত দাম অনুসারে, প্রতিটি ডিমের দাম উৎপাদন পর্যায়ে ১০ টাকা ৫৮ পয়সা, পাইকারি পর্যায়ে ১১ টাকা ১ পয়সা ও খুচরা পর্যায়ে ১১ টাকা ৮৭ পয়সা (ডজন ১৪২ টাকা ৪৪ পয়সা) বিক্রি হবে।
 
বৈঠক প্রসঙ্গে আমানত উল্লাহ জানান, বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে বুধবার থেকে রাজধানীতে ডিমের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসবে। বড় কোম্পানিগুলো অঙ্গীকার করেছেন তারা তেজগাঁও ও কাপ্তানবাজারের আড়তে প্রতিটি ডিম ১০ টাকা ৯২ পয়সা দরে পৌঁছে দিয়ে যাবেন। এই ডিম তারা বিক্রি করবেন ১১ টাকা ১ পয়সায়। কোম্পানিগুলো যদি তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী এই দামে ডিম সরবরাহ করেন তবে রাজধানীতে ডিম সরকার নির্ধারিত দরেই বিক্রি হবে বলে আশাবাদ জানান আমানত উল্লাহ।
 
সভা শেষে ভোক্তা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আলীম আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, হঠাৎ করে ডিমের দাম বেড়ে যাওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ হলো মধ্যস্বত্বভোগী। উৎপাদন থেকে পাইকারি পর্যায়ে ডিম বিক্রির ক্ষেত্রে কিছু কারসাজি রয়েছে। উৎপাদনকারী থেকে ভোক্তা পর্যায় পর্যন্ত ডিম পাঁচবার হাত বদল হয়। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে দু-তিনটি ধাপ কমবে। ফলে ক্রেতারা কম দামে ডিম কিনতে পারবেন।

নবীন নিউজ/পি

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

ভোট দিতে পারছেন না জিএম কাদের ও আখতারুজ্জামান

news image

আপনারা কেন্দ্রে গিয়ে নির্ভয়ে ভোট দিন: সেনাপ্রধান

news image

বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৫ জন

news image

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা গ্রেফতার

news image

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা-সমাবেশ ও প্রচারণা নিষিদ্ধ

news image

মোসাব্বির হত্যার ঘটনায় প্রধান শুটারসহ গ্রেফতার ৩ জন

news image

ওসমান হাদীর মেডিকেল বোর্ডের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

news image

গুলিবিদ্ধ হাদির সঙ্গে থাকা রাফি জানালেন পুরো ঘটনার বিবরণ

news image

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যায় সেই গৃহকর্মী ঝালকাঠি থেকে গ্রেপ্তার

news image

জামায়াতের ঔষধ হলো আওয়ামী লীগ, বললেন মির্জা আব্বাস

news image

ঘোষণা ছাড়াই সয়াবিনের দাম লিটারে বাড়ল ৯ টাকা, খোলা তেল ৫ টাকা

news image

‘জাতীয় নির্বাচন-গণভোট ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হবে’

news image

শেখ হাসিনার ৫-রেহানার ৭ বছরের জেল, ২ বছরের কারাদণ্ড পেলেন টিউলিপ

news image

সচিবালয়ে আগুন

news image

খুলনা আদালত চত্বরে গুলিতে ২ জন নিহত

news image

ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো দেশ

news image

১ লাখের স্কুটারে জরিমানা ২১ লাখ!

news image

ভোরের আলো ফুটতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে কড়াইল বস্তির আগুনের ক্ষতচিহ্ন

news image

দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন খালেদা জিয়া

news image

ফের ভূমিকম্প

news image

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবন কি এখানেই শেষ?

news image

শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে ভারতকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ

news image

শেখ হাসিনার মামলার পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী

news image

রায় শুনে যা বললেন শেখ হাসিনা

news image

হাজারীবাগ বেড়িবাঁধে বাসে আগুন

news image

ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

news image

আ.লীগের মামলা তুলে নেয়ার বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেইনি

news image

নারীরা ঘরে সময় দিলে, সম্মানিত করবে সরকার: জামায়াত আমির

news image

রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ১ জন

news image

ভোরে রাজধানীতে দুই বাসে আগুন