শনিবার ০৬ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
জাতীয়

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধে যেভাবে আক্রান্ত হবে বাংলাদেশের অর্থনীতি

নবীন নিউজ ডেস্ক ০৯ অক্টোবার ২০২৪ ০৯:৩২ এ.এম

সংগৃহীত ছবি সংগৃহীত ছবি

ইসরাইল ও লেবাননের হিজবুল্লাহর মধ্যে উত্তেজনা দীর্ঘদিন ধরে চললেও সম্প্রতি নতুন মাত্রা যোগ করেছে ইরান। হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ হত্যাকে কেন্দ্র করে তেহরান-তেলআবিব যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আর সত্যিই এ যুদ্ধ বাধলে এর তীব্র নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সারা বিশ্বের অর্থনীতির ওপর। এ থেকে রক্ষা পাবে না বাংলাদেশও।

হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে গত ১ অক্টোবর ইসরাইলের প্রধান নগরী তেল আবিবসহ দেশটির সামরিক ঘাঁটি ও গোয়েন্দা সংস্থার দফতর লক্ষ্য করে ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। জবাবে যেকোনো সময় ইরানের পরমাণু স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে ইসরাইল।

অন্যদিকে ইরানের পরমাণু স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামোতে যদি হামলা চালানো হয় তাহলে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান। যদি সত্যিই ইসরাইলি হামলার জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় তবে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের পাশাপাশি সারা বিশ্বের অর্থনীতির ওপরই পড়বে তীব্র নেতিবাচক প্রভাব।
 
বিশ্বের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ এ হরমুজ প্রণালি। ইরানের উপকূলঘেঁষা সরু এ চ্যানেল সংযুক্ত করেছে তেলসমৃদ্ধ পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরকে। শুধু ইরানই নয়, পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ইরানের তেল রফতানির প্রায় পুরোটাই নির্ভর করে এ পথের ওপর। কারণ পারস্য উপসাগরে বোঝাই হওয়া তেলবাহী জাহাজগুলোকে এ প্রণালি অতিক্রম করেই বিশ্বব্যাপী তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়। সব মিলিয়ে দৈনিক বিশ্বের মোট তেলের চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশই পরিবহন হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে। এটি বন্ধ হলে বিশ্ব অর্থনীতির নেতিবাচক প্রভাবে আক্রান্ত হবে বাংলাদেশও।
 
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় এমনিতেই আক্রান্ত বাংলাদেশের প্রধান রফতানিখাত তৈরি পোশাক শিল্প। তার মধ্যে হাসিনাবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময়ও ব্যাহত হয় পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পের উৎপাদন। এ পরিস্থিতিতে ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ বেধে গেলে যে অর্থনৈতিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হবে, তা বাংলাদেশের শ্লথ হয়ে পড়া অর্থনীতির ওপর নতুন করে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা। 
 
যদি দেশের জ্বালানি তেলের আমদানিকারক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মজুতে এখনও প্রায় দেড় মাস চলার মতো জ্বালানি তেল আছে, তারপরও যুদ্ধ বেধে গেলে এবং তা দীর্ঘমেয়াদে চললে জ্বালানি তেলসংকটের মুখে পড়তে পারে বাংলাদেশ—এমন শঙ্কাও করছেন অর্থনীতিবিদরা।
 
বিশেষ করে জ্বালানি বাজারের অবস্থা অনেকটা ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরে যেমনটা ঘটেছিল সে রকম হতে পারে। ফলে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশের তেল ও এলএনজি আমদানি খরচও বেড়ে যেতে পারে।
 
শুধু হরমুজ প্রণালিই নয়, ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হলে ইরানের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে লোহিত সাগরের সমুদ্রপথও বন্ধ করে দিতে পারে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। এরই মধ্যে ইসরাইলের গাজায় হামলার প্রতিক্রিয়ায় নিয়মিত লোহিত সাগরের শিপিং রুটে বিভিন্ন পশ্চিমা বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে হুথি বিদ্রোহীরা। ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হলে তারাও এ যুদ্ধে জড়িয়ে পারতে পারে বলে জোর আশঙ্কা রয়েছে।
 
ইরান-ইসরাইল সম্ভাব্য এ যুদ্ধে বাংলাদেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব প্রসঙ্গে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ মাহফুজ কবীর সময় সংবাদকে বলেন, এ যুদ্ধ শুরু হলে বাংলাদেশের ওপর এর প্রভাব ব্যাপক মাত্রায় পড়বে। কারণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট ২০ ভাগ জ্বালানি তেল পরিবহন হয়। যদি এটি বন্ধ হয়, তবে তেলের দাম সাংঘাতিকভাবে বেড়ে যাবে। পাশাপাশি সরবরাহ ঘাটতি দেখা দিলে টাকা দিয়েও তখন তেল ও গ্যাস পাওয়া যাবে কিনা—তা নিয়ে সন্দেহ আছে। তাছাড়া, এমনটা হলে পুরো বিশ্বের অর্থনীতি ওলট-পালট হয়ে যেতে পারে।

রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট নেতিবাচক পরিস্থিতি থেকে বিশ্ব অর্থনীতি এখনও পুরোপুরি পুনরূদ্ধার সম্ভব হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুরো বিশ্বের মতো বাংলাদেশও রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে আক্রান্ত। সেখান থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারেনি, তার ওপর যদি ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হয়, এবং জ্বালানি ও তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয় তবে পরিস্থিতি সামাল দেয়া খুবই কঠিন হয়ে পড়তে পারে। পাশাপাশি তেলের দাম বেড়ে গেলে অন্যান্য দেশগুলো কিংবা ধনী দেশগুলো তাদের হাতে থাকা ডলারের মাধ্যমে সেই তেল কিনতে পারলেও বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশগুলোর পক্ষে তা কিনতে পারা কতটুকু সম্ভব হবে সেটাও প্রশ্ন সাপেক্ষ। 
 
কারণ বাংলাদেশে তেল কেনা হয় ধারের টাকায়। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল কেনা হয় বাকি। যখন তেলের সরবরাহ সংকট তৈরি হবে তখন যারা নগদ টাকা দিয়ে তেল কিনতে পারবে, তারাই আগে তেল পাবে। সেক্ষেত্রে আমরা হয়তো প্রয়োজনীয় তেল নাও পেতে পারি। অথচ আমাদের কৃষি খাতের সেচ থেকে শুরু করে, পরিবহন ব্যবস্থা সবই তেল নির্ভর। এছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং পোশাক রফতানি ইত্যাদিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। 
 
অনেক পোশাক কারখানায় যখন বিদ্যুৎ থাকে না, তখন জেনারেটর দিয়ে উৎপাদন অব্যাহত রাখে। তেলের সংকট এবং এর দাম বেড়ে গেলে তৈরি পোশাক উৎপাদনও চাপে পড়বে। এসব পরিস্থিতির প্রভাবে দেশের মূল্যস্ফীতি বেড়ে যেতে পারে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি একটু কমলেও তা প্রায় ডাবল ডিজিটের কাছাকাছি। এর মধ্যে যদি যুদ্ধ শুরু হয়েই যায়, তাহলে এ মূল্যস্ফীতি ২০ শতাংশে চলে যেতে পারে, যার ভয়াবহ প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতির ওপর।
 
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, যদি ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে পুরো বিশ্বের মতো বাংলাদেশও ব্যাপক মাত্রায় আক্রান্ত হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের রফতানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে সবচেয়ে বেশি। তেলের দাম বেড়ে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের খরচও বেড়ে যাবে। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের সংকটও দেখা দেবে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা দেখা দেবে। 
 
প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের অভাবে বেশির ভাগ কারখানাকেই জেনারেটরের মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হয়, তেলের দাম বেড়ে গেলে তাই কারখানা পরিচালনার খরচও বেড়ে যাবে। এসবের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হবে দেশের পোশাক খাত। বিশেষ করে যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় যদি সুয়েজ খাল কিংবা লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়, তবে আমাদের শিপমেন্টেও প্রভাব পড়বে, খরচ বেড়ে যাবে অনেকটাই। এমনিতেই শ্রমিক অসন্তোষসহ বর্তমানে নানা সমস্যায় আক্রান্ত পোশাক খাত, তার ওপর এ সংকট শুরু হলে সামনে শুধু ক্ষতিই আর ক্ষতি।
 
যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে তার প্রভাব সামাল দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সরকারের সঙ্গে এ ধরনের পরিস্থিতি সামাল দেয়ার ব্যাপারে আলোচনা হচ্ছে। অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টার সঙ্গে আমাদের পরবর্তী আলোচনায় এই বিষয়টি তুলে ধরা হবে। আমাদের উদ্বেগের বিষয়টি আমরা সরকারের কাছে তুলে ধরব।
 
বিজিএমইএর ভাইস প্রেসিডেন্ট রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, এমনিতেই দেশের পোশাক শিল্পের অবস্থা ভালো নেই। প্রায় ৩০ ভাগ ব্যবসা দেশ থেকে চলে গেছে। তার ওপর যদি ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে এর প্রতিক্রিয়া মারাত্মক হবে পোশাক খাতের ওপর। আমাদের রফতানিকারকদের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে।
 
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হলে পোশাক খাতের পরিস্থিতি আরও চ্যালেঞ্জিং হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদি যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বেড়ে যায়, তবে শিপমেন্ট খরচও বেড়ে যাবে অনেকখানি, আর উৎপাদন খরচ তো বাড়বেই। যে সব কাপড়ের কাঁচামাল পেট্রোলিয়াম উপজাত সেসবের দাম বেড়ে যাবে।
 
এ পরিস্থিতিতে সরকারকে দেশের পোশাক খাতে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের অনেকেই আছেন যারা এই সেক্টরটা তেমন বোঝেন না। এ কারণে আমরা সময়োপযোগী কোনো সিদ্ধান্ত পাচ্ছি না। ফলে এই খাতে আমরা এখন হতাশাজনক সময় পার করছি।
 
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি আশরাফ আহমেদ বলেন, দেশের বর্তমান ব্যবসা বাণিজ্যের যে পরিস্থিতি, তার ওপর যদি লোহিত সাগর দিয়ে শিপিং চ্যানেলে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হয়, এবং পারস্য উপসাগর বন্ধ হয়ে যায়, তবে এর ফলে আমাদের আমদানি ও রফতানি দুটোই জটিল হয়ে পড়বে। বিশেষ করে শিপিংয়ের খরচ ও সময় অনেক বেড়ে যাবে। 
 
শেষবার যখন লোহিত সাগর দিয়ে শিপিংয়ে সমস্যা হচ্ছিল তখন আমরা দেখেছিলাম, এই রুটের বদলে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ অব গুড হোপ ঘুরে আমাদের কনটেইনার ইউরোপ কিংবা আমেরিকায় পাঠাতে শিপিং খরচ প্রায় এক তৃতীয়াংশ বেড়ে গিয়েছিল। পাশাপাশি সময়ও দুই থেকে তিন সপ্তাহ বেশি লাগে। তার মধ্যে যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে তেলের দামও বেড়ে যাবে অনেকখানি। এতে আমাদের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবে, অপরদিকে দেশে মূল্যস্ফীতিও অনেকখানি বেড়ে যাবে। আর এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে তার ক্ষতিকর প্রভাবও সমানুপাতিক হারে বেড়ে যাবে।
 
আরও পড়ুন: ইরান-ইসরাইল সংঘাত: কোন দিকে যাবে জ্বালানি তেলের বিশ্ববাজার?
 
দেশের তরল প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানির বিষয়টি দেখভাল করে পেট্রোবাংলা। জ্বালানি পরিস্থিতির ওপর ইরান-ইসরাইল সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রভাবের ব্যাপারে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্রনাথ সরকার সময় সংবাদকে বলেন, আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। এলএনজির ক্ষেত্রে আমাদের বেশির ভাগ চুক্তিই তো দীর্ঘমেয়াদি, সেক্ষেত্রে তো প্রভাব পড়ার কথা নয়। আর স্পট মার্কেটের ক্ষেত্রেও আমাদের খুব একটা সমস্যা হওয়ার কথা নয়। পাশাপাশি আমাদের এলএনজির উৎস তো শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, আমরা অন্যান্য উৎস থেকেও সংগ্রহ করে থাকি। যুদ্ধ বেধে গেলে দামে হয়তো প্রভাব পড়বে, তবে আমরা তো ওপেন টেন্ডারে কিনে থাকি, সেক্ষেত্রে দাম বেড়ে গেলে সেটা তো দিতেই হবে।
 
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে জ্বালানির সরবরাহে বিঘ্ন ঘটবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান বলেন, ‘সেক্ষেত্রে আমরা অন্যান্য উৎস থেকে সংগ্রহ করার চেষ্টা করব। আমরা এ ব্যাপারে পরিকল্পনা করছি।’
 
অন্যদিকে, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) পরিচালক অনুপম বড়ুয়া সময় সংবাদকে বলেন, বর্তমানে দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। আমাদের হাতে ৪২ দিনের সমপরিমাণ মজুত এখনও রয়েছে। আর যদি যুদ্ধ বেধেই যায়, তবে যে কোনো উৎস থেকে তেল কেনার সামর্থ্য বিপিসির আছে, আমরা সে সব উৎস থেকে তেল কিনবো প্রয়োজন হলে। তবে এ সব ব্যাপারে মূলত সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী সরকার যে সিদ্ধান্ত দেবে আমরা তা বাস্তবায়ন করব। তবে এই মুহূর্তে যুদ্ধ বেধে গেলেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রভাব দেশের জ্বালানি খাতে পড়বে না, কারণ আমাদের এখনও প্রায় দেড় মাসের মজুত রয়েছে।

নবীন নিউজ/পি

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

ভোট দিতে পারছেন না জিএম কাদের ও আখতারুজ্জামান

news image

আপনারা কেন্দ্রে গিয়ে নির্ভয়ে ভোট দিন: সেনাপ্রধান

news image

বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৫ জন

news image

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা গ্রেফতার

news image

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা-সমাবেশ ও প্রচারণা নিষিদ্ধ

news image

মোসাব্বির হত্যার ঘটনায় প্রধান শুটারসহ গ্রেফতার ৩ জন

news image

ওসমান হাদীর মেডিকেল বোর্ডের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

news image

গুলিবিদ্ধ হাদির সঙ্গে থাকা রাফি জানালেন পুরো ঘটনার বিবরণ

news image

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যায় সেই গৃহকর্মী ঝালকাঠি থেকে গ্রেপ্তার

news image

জামায়াতের ঔষধ হলো আওয়ামী লীগ, বললেন মির্জা আব্বাস

news image

ঘোষণা ছাড়াই সয়াবিনের দাম লিটারে বাড়ল ৯ টাকা, খোলা তেল ৫ টাকা

news image

‘জাতীয় নির্বাচন-গণভোট ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হবে’

news image

শেখ হাসিনার ৫-রেহানার ৭ বছরের জেল, ২ বছরের কারাদণ্ড পেলেন টিউলিপ

news image

সচিবালয়ে আগুন

news image

খুলনা আদালত চত্বরে গুলিতে ২ জন নিহত

news image

ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো দেশ

news image

১ লাখের স্কুটারে জরিমানা ২১ লাখ!

news image

ভোরের আলো ফুটতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে কড়াইল বস্তির আগুনের ক্ষতচিহ্ন

news image

দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন খালেদা জিয়া

news image

ফের ভূমিকম্প

news image

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবন কি এখানেই শেষ?

news image

শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে ভারতকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ

news image

শেখ হাসিনার মামলার পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী

news image

রায় শুনে যা বললেন শেখ হাসিনা

news image

হাজারীবাগ বেড়িবাঁধে বাসে আগুন

news image

ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

news image

আ.লীগের মামলা তুলে নেয়ার বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেইনি

news image

নারীরা ঘরে সময় দিলে, সম্মানিত করবে সরকার: জামায়াত আমির

news image

রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ১ জন

news image

ভোরে রাজধানীতে দুই বাসে আগুন