বৃহস্পতিবার ১৪ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
জাতীয়

অবসরে গিয়ে দুর্বিষহ জীবন বেসরকারি শিক্ষকদের

নবীন নিউজ ডেস্ক ০৪ সেপ্টেম্বার ২০২৪ ১১:২৮ এ.এম

সংগৃহীত ছবি সংগৃহীত ছবি

অবসরকালীন সুবিধা পেতে বছরের পর বছর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের। যদিও উচ্চ আদালতের নির্দেশ হলো, অবসর নেয়ার ৬ মাসের মধ্যে এ সুবিধা পাবেন সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। পরিসংখ্যান বলছে, হাজার হাজার আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ঝুলছে যুগের পর যুগ। পর্যাপ্ত বরাদ্দের অভাবের কথা শুনিয়ে দায় সারছে কর্তৃপক্ষ।

অবসর পাওয়া শিক্ষিকা নরসিংদীর কবিতা রাণী চন্দ জীবনের ২৫টি বছর পার করেছেন মানুষ গড়ার কাজে। অবসর নিয়েছেন ২০১৮ সালে। অবসর সুবিধা পেতে অর্ধ যুগেরও বেশি সময় ধরে বাধ্য হয়ে ঢাকার পলাশির বেনবেইসে যাওয়া-আসা করতে হচ্ছে তাকে।

কল্যাণ ট্রাস্টের টাকা পেলেও অবসর সুবিধার টাকা কবে পাবেন সেই প্রশ্নের উত্তর জানেন না তিনি। অথচ নিঃসন্তান এ শিক্ষিকাকে প্রতিমাসে বেতনের ১০ ভাগ সঞ্চয় করতে হয়েছিলো নিশ্চিন্ত অবসরের আশায়।

হাবিবুর রহমান নামে আরেকজন অবসর পাওয়া শিক্ষিকের দশাও একই রকম। টাকার অভাবে গত ৮ মাস বন্ধ রয়েছে তার ক্যান্সার আক্রান্ত স্ত্রীর চিকিৎসা। তিনি বলেন, প্রায় ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখন টাকা না থাকায় আর চিকিৎসা করানো সম্ভব হচ্ছে না।

কিন্তু কেনো এ ভোগান্তি? এসব অভিযোগের বিষয়ে যার জানানোর কথা সেই অবসর সুবিধা বোর্ডের সচিব অধ্যক্ষ শরীফ আহমদ সাদী ৫ আগস্টের পর থেকেই লাপাত্তা; বন্ধ রয়েছে মোবাইল ফোনও।
 
এদিকে, বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের রুটিন দায়িত্ব পাওয়া সচিব মো. আবুল বাশার জানান, ‘এখনও ৩০ হাজারেরও বেশি আবেদন জমা; বরাদ্দের অভাবে সুরাহা করা সম্ভব হচ্ছে না।’

তিনি জানান, ‘এসব আবেদন নিষ্পত্তি করতে ২৭ কোটি টাকার মতো প্রয়োজন। আবার বছর বছর থেকে যাচ্ছে ঘাটতি। যদি বাৎসরিক একটা বাজেট থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়, তাহলে কেবল এ সমস্যা সমাধান হবে।’

উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ৬ মাসের মধ্যে অবসরকালীন সুবিধা দেয়ার কথা থাকলেও বছরের পর বছর ঘুরেও টাকার মুখ দেখতে পান না বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীরা। জাতীয় বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করা না হলে এ সংকট আরও প্রকট হবে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নবীন নিউজ/পি

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

ভোট দিতে পারছেন না জিএম কাদের ও আখতারুজ্জামান

news image

আপনারা কেন্দ্রে গিয়ে নির্ভয়ে ভোট দিন: সেনাপ্রধান

news image

বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৫ জন

news image

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা গ্রেফতার

news image

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা-সমাবেশ ও প্রচারণা নিষিদ্ধ

news image

মোসাব্বির হত্যার ঘটনায় প্রধান শুটারসহ গ্রেফতার ৩ জন

news image

ওসমান হাদীর মেডিকেল বোর্ডের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

news image

গুলিবিদ্ধ হাদির সঙ্গে থাকা রাফি জানালেন পুরো ঘটনার বিবরণ

news image

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যায় সেই গৃহকর্মী ঝালকাঠি থেকে গ্রেপ্তার

news image

জামায়াতের ঔষধ হলো আওয়ামী লীগ, বললেন মির্জা আব্বাস

news image

ঘোষণা ছাড়াই সয়াবিনের দাম লিটারে বাড়ল ৯ টাকা, খোলা তেল ৫ টাকা

news image

‘জাতীয় নির্বাচন-গণভোট ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হবে’

news image

শেখ হাসিনার ৫-রেহানার ৭ বছরের জেল, ২ বছরের কারাদণ্ড পেলেন টিউলিপ

news image

সচিবালয়ে আগুন

news image

খুলনা আদালত চত্বরে গুলিতে ২ জন নিহত

news image

ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো দেশ

news image

১ লাখের স্কুটারে জরিমানা ২১ লাখ!

news image

ভোরের আলো ফুটতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে কড়াইল বস্তির আগুনের ক্ষতচিহ্ন

news image

দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন খালেদা জিয়া

news image

ফের ভূমিকম্প

news image

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবন কি এখানেই শেষ?

news image

শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে ভারতকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ

news image

শেখ হাসিনার মামলার পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী

news image

রায় শুনে যা বললেন শেখ হাসিনা

news image

হাজারীবাগ বেড়িবাঁধে বাসে আগুন

news image

ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

news image

আ.লীগের মামলা তুলে নেয়ার বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেইনি

news image

নারীরা ঘরে সময় দিলে, সম্মানিত করবে সরকার: জামায়াত আমির

news image

রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ১ জন

news image

ভোরে রাজধানীতে দুই বাসে আগুন