নবীন নিউজ, ডেস্ক ০৭ আগষ্ট ২০২৪ ০৯:৫৪ এ.এম
ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগ করার পর কার্যত সরকার পরিচালনায় ‘আইনশৃঙ্খলা’ (ল অ্যান্ড অর্ডার) বলতে কিছুই ছিল না। তবে সরকারবিহীন দিনে জাতীয় পতাকা বেঁধে মাঠে সক্রিয় ছিলেন শিক্ষার্থীরা।
রাজপথে নেমে করেছেন ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, পাহারা দিয়েছেন থানা-মন্দির-মসজিদ। জাতীয় সংসদ ভবন পরিচ্ছন্নতার কাজেও দেখা গেছে তাদের। সেই সঙ্গে জাতীয় সংসদ ভবনের নিরাপত্তাকর্মীদের খোয়া যাওয়া ৪০টি অস্ত্র ফেরত দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
গত সোমবার শেখ হাসিনার পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করলে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে জনতা। এরপর বিভিন্ন বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। থানায় হামলা চালানো হয়, আক্রান্ত হয় মন্দির। পুলিশ মাঠে না থাকায় ভেঙে পড়ে ট্রাফিক ব্যবস্থাও। এরপর গতকাল মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজে নামেন শিক্ষার্থীরা।
সহিংসতায় পুলিশের প্রাণহানি, হামলার শিকার হওয়ার ভয়, উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্র্তাদের নির্দেশ না পাওয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মাঠে দেখা যায়নি। ফলে ভেঙে পড়েছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। স্থবিরতা নেমে এসেছে প্রশাসনিক কার্যক্রমেও।
জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা বলছেন, সরকারের ল অ্যান্ড অর্ডার না থাকাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক দুর্বলতা দেখা দিয়েছে এবং পরিস্থিতির চরম অবনতি দেখা যাচ্ছে। যার ফলে সহিংস পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্রশাসনের কার্যক্রমেও চলছে একপ্রকার অচলাবস্থা।
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘এটা সত্য যে, ল অ্যান্ড অর্ডারের ক্ষেত্রে মারাত্মক দুর্বলতা দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ করে পুলিশ নিষ্ক্রিয় হয়ে গুটিয়ে নিল। এর যথেষ্ট কারণও আছে। আওয়ামী লীগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করেছে। তাদের জনগণের মুখোমুখি করেছে। এর ফলে কিছু মানুষের ক্ষোভ জন্মেছে এবং এতে করে জনরোষের মুখে পড়েছে পুলিশ বাহিনী। যে জনরোষ সামাল দেওয়ার মতো কোনো শক্তি বা পরিস্থিতি তাদের ছিল না। ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে।’
তিনি বলেন, ‘সরকার একেবারেই নেই এটা কিন্তু বলা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন, সংসদ বিলুপ্ত করা হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের দায়িত্ব না থাকলেও সরকারের প্রশাসনের লোকজনদের নিয়েই কিন্তু সরকার। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, মাঠপর্যায়ের পুলিশ প্রশাসন আসলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারছে না।’ অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘যেসব অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটছে, তা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার এবং সমস্যার সমাধান হতে পারে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাধ্যমে। আশা করব অন্তর্বর্তীকালীন এ সরকার দায়িত্ব নিয়ে ল অ্যান্ড অর্ডারের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে।’
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীরা : গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর মৎস্য ভবন সিগন্যালে দেখা যায়, চারপাশেই হাত তুলে দাঁড়িয়েছেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। সময় মেনে তারা এক এক করে বন্ধ ও খুলে দিচ্ছেন রাস্তা। তাতে স্বাভাবিক হয় যান চলাচল, স্বস্তি ফেরে নগরবাসীর চলাচলে।
এই দলে একজন রকিবুল আলম। তার গলায় ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইডি কার্ড। কথা হয় তার সঙ্গে। বললেন, ‘দেশের দায়িত্ব আমাদের নিতেই হবে। আর আমরা ছাত্রসমাজ চাচ্ছি দেশে যেন কোনো ধরনের অরাজকতা, অনাকাক্সিক্ষত দুর্ঘটনা না ঘটে। সেজন্যই আমাদের নিজেদের মূল্যবোধ থেকেই এ দায়িত্ব পালন করছি।’ এসব বলেই একটি মুচকি হাসি দিলেন এ শিক্ষার্থী।
রাজধানীর বাংলা মোটর সিগন্যালেও মাথায়, বুকে জাতীয় পতাকা বেঁধে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করছেন ছাত্ররা। কথা বলে জানা গেছে, তারা স্বেচ্ছায় এ কাজে এসেছেন। তাদের কেউ নির্দেশনা বা নেতৃত্ব দিচ্ছে না। বেশ কিছু এলাকায় এ দায়িত্ব পালন করছেন ছাত্ররা।
আশরাফুল ইসলাম শিমুল নামে একজন নিজের ফেসবুক পোস্টে এমন ছবি দিয়ে লিখেছেন, এর চেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর কী হতে পারে। শিক্ষার্থীরা সংসদ ভবন পরিষ্কারের কাজে লেগে গেছে। এভাবে দেশ পরিষ্কার হয়ে যাবে।
খোয়া যাওয়া ৪০টি অস্ত্র ফিরিয়ে দিলেন শিক্ষার্থীরা : প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর গণভবন, সংসদ ভবন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দখলে নেন বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও জনতা। এ সময় জাতীয় সংসদ ভবনের নিরাপত্তাকর্মীদের খোয়া যাওয়া ৪০টি অস্ত্র ফেরত দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল জাতীয় সংসদের সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস উইং কমান্ডার তানভীর হাসান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘সোমবার জনসাধারণ সংসদীয় নিরাপত্তারক্ষীদের ৪০টি অস্ত্র দখল করেছিল। পরে ছাত্ররা সেগুলো জমা দিয়েছে। অস্ত্রগুলো সেই ইউনিটের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’ অস্ত্র ফেরত দেওয়া ছাত্রদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে বলে জানান সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস উইং কমান্ডার তানভীর হাসান।
জিনিসপত্রের দাম কমিয়ে ন্যায্যমূল্যে সেবা প্রদানের আহ্বান : জিনিসপত্রের দাম কমিয়ে ন্যায্যমূল্যে সেবা প্রদান এবং পণ্য বিক্রির জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। অন্যতম সমন্বয়ক আবদুল্লাহ সালেহীন অয়ন সাংবাদিকদের পাঠানো এক বার্তায় বলেন, ‘সমগ্র দেশবাসীর প্রতি আহ্বান থাকবে, জিনিসপত্রের দাম কমিয়ে দিয়ে ন্যায্যমূল্যে যেকোনো সেবা দেওয়ার জন্য। দেশের চলমান সংকটময় পরিস্থিতিতে সবার পাশে দাঁড়ান। দেশবাসীকে সহযোগিতা করুন, নাশকতাকারীদের এবং সন্ত্রাসীদের রুখে দিন। প্রত্যেক এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে নেমে পড়ুন। আমরাই এ দেশের ভবিষ্যৎ। বিজয়ী আমরা হবই।’
গণভবন, সংসদ ভবনে গতকালও উৎসুক জনতার ভিড় : যে গণভবনের ধারেকাছেও ঘেঁষতে পারতেন না সাধারণ মানুষ, গতকাল মঙ্গলবার ভোরের আলো ফোটার আগেই সেখানে উৎসুক জনতার ঢল নামে। গণভবনের ভেতরে ঢুকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সব দেখছিলেন নানা বয়সী মানুষ। কেউ ছবি তুলেছেন, কেউ করেছেন ভিডিও।
অবশ্য গত সোমবার দুপুর থেকেই বিক্ষুব্ধ আর উৎসুক জনতা প্রধানমন্ত্রীর এই বাসভবনে ঢুকে পড়েন। অনেক রাত পর্যন্ত সেখানে মানুষের আনাগোনা দেখা গেছে। এ সময় অনেকেই গণভবনের ডাব থেকে শুরু করে টয়লেট টিস্যু, ফুলের টব পর্যন্ত সবকিছুই নিয়ে যান যে যার মতো করে। সাধারণ জনগণ এটাকে লুটপাট আখ্যা দিয়ে ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তবে যারা এসব জিনিস নিয়ে যাচ্ছিলেন তারা বলছিলেন, দেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হওয়ার আনন্দে এগুলো নিয়ে যাচ্ছি বাসায় যত্ন করে সাজিয়ে রাখার জন্য।
গতকাল সকালে গণভবনে গিয়ে দেখা যায় মূল প্রবেশ পথ বন্ধ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টহল দিচ্ছে। তারা সাধারণ মানুষকে ভেতরে প্রবেশ করতে নিষেধ করছিলেন। তা সত্ত্বেও গণভবনের বিভিন্ন স্থানে আগের দিনের ভাঙা প্রাচীরের ভেতর দিয়ে দল বেঁধে প্রবেশ করছিলেন বহু মানুষ। উৎসুক জনতাকে সামাল দিতে হিমশিম খেতে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।
বিশাল জায়গা জুড়ে প্রধানমন্ত্রীর ওই বাসভবনের ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুরের দৃশ্য চোখে পড়ে। মূল প্রবেশ পথেই বেশ কয়েকটা ভাঙচুর করা গাড়ি রয়েছে। ভেতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ভাঙচুর করা নানা জিনিসপত্র দেখা যায়। শেখ হাসিনা যেখানে থাকতেন সেখানেও বিক্ষুব্ধ জনতা ব্যাপক ভাঙচুর করেছে। ভাঙচুর করা হয়নি এমন কোনো কক্ষ নেই। দেয়ালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে নানারকম ক্ষোভ প্রকাশের কথা লিখে রেখেছেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
ভেতরে থাকা ছোট্ট একটা পার্কে শিশুদের খেলাধুলা করতে দেখা যায়। আবার কয়েকজন হতদরিদ্র নারীকে দেখা গেল ভেতরে পরিত্যক্ত নানান জিনিস কুড়িয়ে বস্তায় ভরছেন।
গণভবন ঘুরে এসেছেন এমন বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয় দেশ রূপান্তরের। তাদেরই একজন যাত্রাবাড়ীর বাসিন্দা মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘ছেলেমেয়ে বায়না ধরেছিল গণভবনের ভেতরে দেখার জন্য। সেজন্যই ভোরে বাসা থেকে এসেছি। বাচ্চা খেলাধুলা করল, ঘুরে ঘুরে সব দেখল। তারা খুব খুশি।’
আবদুল্লাহ আল মাসুম নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘সোমবার আসতে পারিনি। আজ (গতকাল) এসে ইতিহাসের সাক্ষী হলাম। শেখ হাসিনার প্রতি মানুষের কত যে ক্ষোভ, তা ভেতরে ঢুকলে সহজেই যে কেউ বুঝতে পারবেন। তবে এভাবে রাষ্ট্রের সম্পদ নষ্ট করা ঠিক হয়নি।’
সালেহা বেগম নামে এক বয়স্ক নারী জানান, এক দিন আগেই যিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, কত ক্ষমতা ছিল তার। আজ সবকিছু মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। মূলত তার মাত্রাতিরিক্ত অত্যাচার আর অহংকারের কারণেই এ নির্মম পতন। এখান থেকে সবারই শিক্ষা নেওয়ার আছে।
শাহাদত বিশ্বাস নামে একজন মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ডাকে দেশটা যুদ্ধ করে স্বাধীন করছিলাম পাকিস্তানিদের শোষণ থেকে মুক্ত হতে। কিন্তু হাসিনার অত্যাচার পাকিস্তানি শোষকদেরও হার মানিয়েছে। হাসিনা তার বাবার সম্মান নষ্ট করেছে। তার দলের নেতাকর্মীদের বিপদের মধ্যে রেখে পালিয়ে গেল। এর চেয়ে মানুষ আর কতটা খারাপ হতে পারে?’
গণভবন থেকে সংসদ ভবনে গিয়ে দেখা যায় সেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষের ভিড়। মূল ভবনের দেয়ালে ইংরেজিতে জাস্টিস লেখা একটা ব্যানার টানানো। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ভবনের খুব কাছে যেতে বাধা দিচ্ছিলেন। উৎসুক জনতার ভিড় সামলাতে তাদের সঙ্গে কাজ করতে দেখা যায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে।
এদিকে গণভবন এবং সংসদ ভবন থেকে যেসব মালামাল গত সোমবার বিভিন্ন মানুষ নিয়ে গিয়েছিলেন, সেগুলো অনেকেই পরে ফেরত রেখে গেছেন। আবার কিছু মালামাল আগে থেকেই সেনাবাহিনী তাদের কাছ থেকে নিয়ে রেখেছিলেন। এসব মালামাল গণভবন ও সংসদ ভবনের ভেতর এবং আশপাশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে।
তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে গতকাল দুপুরের আগেই গণভবন ও সংসদ ভবন এলাকা থেকে জনতাকে সরিয়ে পুরো ফাঁকা করে সেনাবাহিনী। সেখানে এখন আর কেউ ঢুকতে পারছে না। এদিকে গতকাল সকাল থেকেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেতরে নতুন কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
থানার নিরাপত্তা ও ঢাকার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আনসার : দেশের সব থানার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং রাজধানী ঢাকায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের (ট্রাফিক) দায়িত্ব আনসার ব্যাটালিয়নকে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীটিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। গতকাল বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
নবীন নিউজ/জেড
ভোট দিতে পারছেন না জিএম কাদের ও আখতারুজ্জামান
আপনারা কেন্দ্রে গিয়ে নির্ভয়ে ভোট দিন: সেনাপ্রধান
বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৫ জন
ইভ্যালির রাসেল-শামীমা গ্রেফতার
সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা-সমাবেশ ও প্রচারণা নিষিদ্ধ
মোসাব্বির হত্যার ঘটনায় প্রধান শুটারসহ গ্রেফতার ৩ জন
ওসমান হাদীর মেডিকেল বোর্ডের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি
গুলিবিদ্ধ হাদির সঙ্গে থাকা রাফি জানালেন পুরো ঘটনার বিবরণ
মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যায় সেই গৃহকর্মী ঝালকাঠি থেকে গ্রেপ্তার
জামায়াতের ঔষধ হলো আওয়ামী লীগ, বললেন মির্জা আব্বাস
ঘোষণা ছাড়াই সয়াবিনের দাম লিটারে বাড়ল ৯ টাকা, খোলা তেল ৫ টাকা
‘জাতীয় নির্বাচন-গণভোট ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হবে’
শেখ হাসিনার ৫-রেহানার ৭ বছরের জেল, ২ বছরের কারাদণ্ড পেলেন টিউলিপ
সচিবালয়ে আগুন
খুলনা আদালত চত্বরে গুলিতে ২ জন নিহত
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো দেশ
১ লাখের স্কুটারে জরিমানা ২১ লাখ!
ভোরের আলো ফুটতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে কড়াইল বস্তির আগুনের ক্ষতচিহ্ন
দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন খালেদা জিয়া
ফের ভূমিকম্প
শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবন কি এখানেই শেষ?
শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে ভারতকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার মামলার পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী
রায় শুনে যা বললেন শেখ হাসিনা
হাজারীবাগ বেড়িবাঁধে বাসে আগুন
ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
আ.লীগের মামলা তুলে নেয়ার বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেইনি
নারীরা ঘরে সময় দিলে, সম্মানিত করবে সরকার: জামায়াত আমির
রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ১ জন
ভোরে রাজধানীতে দুই বাসে আগুন