মঙ্গলবার ২৬ মে ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বঙ্গাব্দ
জাতীয়

এবারও ধস চামড়ার বাজারে, সিন্ডিকেট করে ঠকানো হচ্ছে গরীবদের

নবীন নিউজ, ডেস্ক ২০ জুন ২০২৪ ১১:৪৮ এ.এম

সংগৃহীত

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে একটা সময়ে কোরবানির চামড়া সংগ্রহ নিয়ে মারামারির ঘটনা প্রায়ই খবরের শিরোনাম হতো। কোরবানিদাতাদের কাছ থেকে চামড়া কিনে তা বিক্রি করে যে মুনাফা পাওয়া যেত, তা ছিল এলাকার যুবকদের ঈদ আয়ের অন্যতম উৎস। তাই যত বেশি চামড়া, তত বেশি আয়। 

তবে বর্তমানে এক দশক আগের সেই চিত্র এখন মানুষ ভুলতে বসেছে। এখন কোরবানির চামড়া নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করার পরও কেউ চামড়া নিতে আসে না। বাধ্য হয়ে অনেকেই চামড়া রাস্তায় ফেলে দিয়েছেন। মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় দান করেছেন।

মূলত সিন্ডিকেটের কারণে কোরবানিদাতারা চামড়া বিক্রি করতে পারছেন না। যেসব সৌভাগ্যবান চামড়া বিক্রি করতে পেরেছেন, তার দাম পেয়েছেন নামমাত্র ২০০-৩০০ টাকা। কোরবানির চামড়া বিক্রি থেকে যে অর্থ পাওয়া যায় তা মূলত গরিব ও অসহায়দের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার প্রথা রয়েছে। ফলে দাম না পাওয়ায় কয়েক বছরের মতো এবারও গরিব, অসহায়রা বঞ্চিত হয়েছে।

ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা মতিউর রহমান বলেন, ‘২০০৬ সালে ১০ হাজার টাকায় কোরবানির গরু কিনেছিলাম, যার চামড়া বিক্রি করেছিলাম ২ হাজার টাকায়। সে সময় চামড়া কেনার জন্য অগ্রিম টাকা দিয়ে যেত এলাকার ছেলেরা। অথচ এখন ২০ গুণ বেশি দামে গরু কিনেও চামড়া ৫০০ টাকায় বিক্রি করা যায় না। আসলে এখন কেউ চামড়া কিনতেই আসে না। যদিও সে সময়ের ৫০০ টাকার চামড়ার স্যান্ডেল এখন ৩ হাজার টাকা।’

এদিকে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম না মিললেও প্রক্রিয়াজাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের দাম ব্যাপক হারে বেড়েছে। বর্তমানে অভ্যন্তরীণ ও রপ্তানির বাজার মিলিয়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকার। এর মধ্যে শুধু অভ্যন্তরীণ বাজারই ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি। ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১২২ কোটি ডলার মূল্যের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছিল, যা টাকার অঙ্কে ১৪ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা।

সরকার প্রতি বছর কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশে যাতে কাঁচা চামড়া পাচার না হয়ে যায়, সে জন্য সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করে। এতে করে কাঁচা চামড়ার সর্বশেষ ক্রেতা হচ্ছে দেশীয় ট্যানারিগুলো। আড়তদারদের পাশাপাশি বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা থেকে ট্যানারিগুলো সরাসরি চামড়া কিনে থাকে। কয়েক বছর ধরে সাধারণ মানুষ চামড়ার দাম না পাওয়ায় মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় দান করে দিচ্ছেন। এতে এসব প্রতিষ্ঠানে চামড়া সরবরাহ ব্যাপক হারে বাড়লেও কাক্সিক্ষত দাম পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

চামড়ায় দ্রুত লবণ মাখানো না হলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আড়তদাররা কম মূল্যে চামড়া কিনে নিয়েছেন। একই অবস্থা দেখা গেছে পুরান ঢাকার পোস্তায়ও। সেখানে ধারণক্ষমতা কম থাকায় আরও বেশি সমস্যায় পড়তে হয়েছে বিক্রেতাদের।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) মহাসচিব হাজি টিপু সুলতান বলেন, ‘আমরা নিজেরাও একসময় সাড়ে তিন-চার হাজার টাকায় চামড়া কিনেছি। এখন তো অবস্থা দেখছেন। চামড়া কিনতে টাকার দরকার হয়। দেশের উচ্চপর্যায়ের কয়েকজন ব্যবসায়ী আছেন, যাদের টাকা আছে। তারা অগ্রিম টাকা দেয় না বা সঠিক সময়ে চামড়া কেনে না। চামড়া পচনশীল পণ্য। এটা সংগ্রহ করার পর যখন ৭-৮ ঘণ্টা চলে যায়, রাতে চামড়া যখন পচতে শুরু করে, দাম যখন পড়ে যায়, তখন তারা চামড়া কিনতে শুরু করে। তারা হয়তো সম্মিলিতভাবে যোগসাজশ করে না, ইনডিভিজ্যুয়ালি করে। ব্যাংক থেকে ট্যানারিতে সহযোগিতা করে, কিন্তু আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের করে না।

তিনি আরও বলেন, আসলে বৈশ্বিক প্রভাব পড়েছে চামড়া খাতের ওপর। আমাদের চামড়াপণ্যের ১০ শতাংশ বাজার দেশীয়, বাকি ৯০ ভাগ রপ্তানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখেই কিনতে হবে। চামড়ার বাজারে এখন প্রভাব ফেলছে কৃত্রিম চামড়া। চীনারা এশিয়ার দেশগুলোয় মানিব্যাগ থেকে শুরু করে সব কৃত্রিম চামড়ায় সরবরাহ করছে। এতে চামড়ার বাজার পড়ে যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়ছে এই শিল্পের ওপর।

ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ গরুর চামড়া সংগ্রহ করে ট্যানারিগুলো, যার মধ্যে প্রায় অর্ধেক আসে কোরবানির সময়। এই হিসাবে প্রায় ৬০ লাখ চামড়া সংগ্রহ হয় কোরবানির সময়ে। ট্যানারির মালিকরা জানিয়েছেন, গতকাল পর্যন্ত গড়ে ৮০০ টাকা দরে গরুর চামড়া কিনেছেন। এই হিসাবে ৬০ লাখ চামড়ার দাম প্রায় ৪৮০ কোটি টাকা।

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের এত বড় বাজার থাকার পরও ২০১৭ সাল থেকে কোরবানিদাতারা দাম পাচ্ছেন না। সিন্ডিকেট ছাড়াও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি চামড়ার দাম না পাওয়া একটি বড় কারণ বলে জানিয়েছেন চামড়া খাত সশ্লিষ্টরা।

 ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরীতে কেন্দ্রীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা (সিইটিপি) পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় ট্যানারিগুলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘এলডব্লিউজি’ সনদ পাচ্ছে না। ফলে চামড়ার সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র- ইউরোপের ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশি চামড়া কিনছে না। 

বাধ্য হয়ে চীন, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার মতো বাজারে স্বল্পমূল্যে জামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে স্থানীয় ট্যানারিগুলো। যদিও বাংলাদেশ থেকে সেমি ফিনিশড চামড়া আমদানি করে ওই সব দেশ ইউরোপ-আমেরিকায় কয়েক গুণ বেশি দামে তা বিক্রি করছে।

এ বিষয়ে সমতা লেদার কমপ্লেক্স লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, কমপ্লায়েন্স ইস্যুর কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে আমাদের চামড়ার দাম কম। সাভারের হেমায়েতপুরের চামড়াশিল্প নগরীর সিইটিপি পুরোপুরি চালু না হওয়ায় অনেক ট্যানারির সক্ষমতা থাকার পরও এলডব্লিউজি সনদ পাচ্ছে না। আর এই সনদ না পেলে ইউরোপ, আমেরিকায় চামড়া রপ্তানি করা যাচ্ছে না। ফলে বাধ্য হয়ে কম দামে চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়ার মতো দেশে বিক্রি করতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ২০১৭ সালে প্রতিটি গরুর চামড়া প্রক্রিয়া করতে কেমিক্যাল খরচ ছিল গড়ে প্রায় ৫০০-৬০০ টাকা। ডলার ছাড়াও  আন্তর্জাতিক বাজারে কেমিক্যালের দাম বাড়ায় এখন দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা খরচ হয়। অথচ চামড়ার দাম ও বিক্রি কমে গেছে। গত বছরের ফিনিশড লেদারের ৩০-৪০ শতাংশ চামড়া এখনো অবিক্রীত রয়ে গেছে। 

প্রসঙ্গত, রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে চামড়াশিল্পকে দূষণমুক্ত পরিকল্পিত শিল্পনগরে স্থানান্তরের জন্য ২০০৩ সালে একটি প্রকল্প নেয় সরকার। ২১ বছরেও এই চামড়াশিল্প নগরকে পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা যায়নি। সাভারের হেমায়েতপুরের ২০০ একর জমিতে গড়ে ওঠা এই চামড়াশিল্প নগরের সিইটিপি পুরোপুরি কার্যকর না হওয়ায় পাশের ধলেশ্বরী নদী দূষণের শিকার হচ্ছে। যদিও গত মঙ্গলবার শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, এবার বিসিক চামড়াশিল্প নগরীর সিইটিপিকে পুরোপুরি প্রস্তুত ও কার্যকর করা হয়েছে। এর সব মডিউলকে ওভারহোলিং তথা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও মেরামতপূর্বক ঢেলে সাজানো হয়েছে।

 প্রয়োজনীয় রাসায়নিক দিয়ে তরল বর্জ্যকে পরিশোধন করা হয়েছে। তা ছাড়া বায়োলজিক্যাল ট্রিটমেন্ট ব্যবস্থা চালু রয়েছে। প্রাথমিক পরিশোধন ছাড়া যাতে কোনো ট্যানারির বর্জ্য সিইটিপিতে আসতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি আগামীতে আরও দুটি সিইটিপি গড়ে তোলার কথাও জানান।

সর্বশেষ ২০১৩ সালে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম বেশি ছিল। সেবার গরুর প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম ছিল ৮৫-৯০ টাকা। এর পর থেকে বিভিন্ন কারণে চামড়ার দাম ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে। ২০১৯ সালে কোরবানির পশুর চামড়ার দামে বড় ধরনের ধস নামে। ন্যূনতম দাম না পেয়ে দেশের অনেক অঞ্চলে চামড়া সড়কে ফেলে ও মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়। এতে প্রায় ২৪২ কোটি টাকার চামড়া নষ্ট হয়। পরের বছর সরকার তৎপরতা বাড়ালে অনাকাক্সিক্ষত কিছু ঘটেনি। 

তবে দাম কমে প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম দাঁড়ায় ৩৫-৪০ টাকা। তারপর গত তিন বছর সরকার নির্ধারিত দাম কিছুটা বাড়লেও কোরবানির চামড়া বিক্রি হয়েছে সেই দরের চেয়ে কমে। এ বছর ঢাকায় গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫-৬০ টাকা, গত বছর যা ছিল ৫০-৫৫ টাকা। ঢাকার বাইরে গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০-৫৫ টাকা, গত বছর যা ছিল ৪৫-৪৮ টাকা। 

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেন, ‘এবার ব্যাংক থেকে তেমন সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়নি। ব্যাংক আমাদের ৭৫-৮০ কোটি টাকার ঋণ সহযোগিতা দিয়েছে। চামড়া নিয়ে সিন্ডিকেট কোথায় কাজ করে, আমাদের জানা নেই। গত দুই দিনে ঢাকায় আমরা ৮ লাখের বেশি চামড়া ক্রয় করেছি। সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিল, আমরা সেই দামেই কিনেছি।’

তিনি বলেন, ‘পাশ্চাত্যের দেশগুলোয় মূল্যস্ফীতির প্রভাব চামড়াজাত পণ্যে পড়েছে। এ কারণে তারা চামড়াজাত পণ্যের ব্যবহার কমিয়ে কমদামি আর্টিফিশিয়াল পণ্য ব্যবহার করছে। যার কারণে চামড়ার দাম আগের মতো নেই। তা ছাড়া আমাদের কারখানাগুলোর কমপ্লায়েন্সের সমস্যা রয়েছে। সব মিলিয়ে চামড়াশিল্পে এর একটা প্রভাব পড়েছে।’

চট্টগ্রামে বরাবরের মতো এবারও চামড়া নিয়ে আড়তদার সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি ছিলেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে চামড়া সংগ্রহ করে এনে আড়তদারদের কাছ থেকে কাক্সিক্ষত মূল্য না পেয়ে অনেকটা হতাশ তারা। 
নগরীর দেওয়ান হাট এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ী জানান, প্রতি পিস চামড়া ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত দাম দিয়েছেন আড়তদাররা। দাম না পাওয়ায় এখন অনেকে আর কোরবানির মৌসুমে চামড়া কেনাবেচা করেন না।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মুসলিম উদ্দিন বলেন, সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেটা লবণজাত চামড়ার। বর্তমানে লবণের অতিরিক্ত দাম এবং শ্রমিকের চড়া মজুরির কারণে সব হিসাব করেই আমাদের চামড়া কিনতে হয়।

মনিরামপুর উপজেলার পারখাজুরা গ্রামের সঞ্জয় দাস বলেন, দাম কম হলে চামড়া যে ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন, তার উপায় নেই। কারণ চামড়া সংরক্ষণ করতে গেলে ব্যয় আরও বেড়ে যাবে। তাই যে দাম পাচ্ছেন, তাতেই বিক্রি করে দিচ্ছেন। নীলফামারীর আইনুল নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, চামড়ার দাম কম হওয়ায় শুধু ব্যবসায়ীরা নন, এতিমখানা-মাদ্রাসাসংশ্লিষ্টরাও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

নবীন নিউজ/জেড

এই সম্পর্কিত আরও খবর

আরও খবর

news image

ভোট দিতে পারছেন না জিএম কাদের ও আখতারুজ্জামান

news image

আপনারা কেন্দ্রে গিয়ে নির্ভয়ে ভোট দিন: সেনাপ্রধান

news image

বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৫ জন

news image

ইভ্যালির রাসেল-শামীমা গ্রেফতার

news image

সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচনী সভা-সমাবেশ ও প্রচারণা নিষিদ্ধ

news image

মোসাব্বির হত্যার ঘটনায় প্রধান শুটারসহ গ্রেফতার ৩ জন

news image

ওসমান হাদীর মেডিকেল বোর্ডের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি

news image

গুলিবিদ্ধ হাদির সঙ্গে থাকা রাফি জানালেন পুরো ঘটনার বিবরণ

news image

মোহাম্মদপুরে মা-মেয়ে হত্যায় সেই গৃহকর্মী ঝালকাঠি থেকে গ্রেপ্তার

news image

জামায়াতের ঔষধ হলো আওয়ামী লীগ, বললেন মির্জা আব্বাস

news image

ঘোষণা ছাড়াই সয়াবিনের দাম লিটারে বাড়ল ৯ টাকা, খোলা তেল ৫ টাকা

news image

‘জাতীয় নির্বাচন-গণভোট ৮ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হবে’

news image

শেখ হাসিনার ৫-রেহানার ৭ বছরের জেল, ২ বছরের কারাদণ্ড পেলেন টিউলিপ

news image

সচিবালয়ে আগুন

news image

খুলনা আদালত চত্বরে গুলিতে ২ জন নিহত

news image

ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো দেশ

news image

১ লাখের স্কুটারে জরিমানা ২১ লাখ!

news image

ভোরের আলো ফুটতেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে কড়াইল বস্তির আগুনের ক্ষতচিহ্ন

news image

দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন খালেদা জিয়া

news image

ফের ভূমিকম্প

news image

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবন কি এখানেই শেষ?

news image

শেখ হাসিনাকে ফেরত দিতে ভারতকে চিঠি দেবে বাংলাদেশ

news image

শেখ হাসিনার মামলার পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী

news image

রায় শুনে যা বললেন শেখ হাসিনা

news image

হাজারীবাগ বেড়িবাঁধে বাসে আগুন

news image

ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

news image

আ.লীগের মামলা তুলে নেয়ার বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেইনি

news image

নারীরা ঘরে সময় দিলে, সম্মানিত করবে সরকার: জামায়াত আমির

news image

রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত ১ জন

news image

ভোরে রাজধানীতে দুই বাসে আগুন